• আজ সোমবার, ১৮ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২ আগস্ট, ২০২১ ৷

টাঙ্গাইলে লকডাউন বাস্তবায়নে মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট

tangail
❏ মঙ্গলবার, জুন ২২, ২০২১ ঢাকা

তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- করোনার সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইল এবং এলেঙ্গা পৌর এলাকায় ৭ দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল থেকে এ লকডাউন শুরু হয়। লকডাউন বাস্তবায়নে দুই পৌর এলাকায় পুলিশের ১৮টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

শহরের দোকানপাঠ ও ছোট, মাঝারি বড় যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকলেও লকডাউন উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে যাচ্ছে দূর পাল্লার বাস। এদিকে সাধারণ লোকজনের মধ্যে লকডাউন মানতে অনিহা দেখা গেছে। বিভিন্ন অজুহাতে লোকজন ঘর থেকে বের হচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড, ডিস্ট্রিক গেইট, কুমুদিনী কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ভিক্টোরিয়া রোড, নিরালা মোড়, শান্তিকুঞ্জ মোড়, বেবীস্ট্যান্ড, বটতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায় পুলিশের চেক পোস্ট রয়েছে। শহরে শত শত মানুষকে পায়ে হেটেই গন্তব্যে পৌছাতে দেখা গেছে। লকডাউনে শহরের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

এদিকে লকডাউন পরিস্থিতি দেখতে মঙ্গলবার (২২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালামোড় এবং কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায়সহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি ও পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় তারা লকডাউন মানতে সকলকের সহযোগিতা কামনা করেন।

লকডাউন পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি সাংবাদিকদের বলেন, জরুরি সেবা ব্যতিত কোন কিছু চালু থাকবে না। লকডাউনের প্রথম দিন কঠোর বিধিনিষেধ সঠিকভাবে পালিত হচ্ছে। ঢাকার আশপাশের এলাকায় লকডাউন থাকায় টাঙ্গাইল থেকে যাত্রী কোন বাস ঢাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। এ একসপ্তাহ সঠিকভাবে কঠোর বিধিনিষেধ পালন করতে পারলে করোনার আক্রান্তের হার অনেক কমে আসবে। কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন জায়গায় জরিমানাও করছেন।

তিনি আরও বলেন, এ সময়ে যারা কর্মহীন থাকবেন তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। করোনা প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন হতে হবে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য পুলিশের ১৩টি চেক পোস্ট ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় ৫টি চেক পোস্টের মাধ্যমে লকডাউন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। লকডাউন বাস্তবায়নে ২ শতাধিক পুলিশ কাজ করছে। এছাড়া দুটি মোবাইল টিম রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, আশা করছি ৭দিন পরে আমরা ভালো একটি ফলাফল পাবো। যদি পরিস্থিতি ভালো হয় তাহলে আবার করোনা প্রতিরোধে কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তীতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। আশা করছি সকলেই প্রচেষ্টায় করোনা বিস্তার রোধ করতে পারবো।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন