টিকার ব্যাপারে মুলা দেখাচ্ছে সবাই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


❏ মঙ্গলবার, জুন ২২, ২০২১ স্পট লাইট

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: ‘টিকা নিয়ে বড় পন্ডিতরা, যেমন জি-৭ ১০০ কোটি টিকা দেওয়ার কথা বলেছে। ওই গল্পই শুনছি। কিন্তু দেওয়ার নামে তো কেউ আগ্রহী না। খালি মুলা দেখাচ্ছে সবাই।’ আজ মঙ্গলবার নিজ দপ্তরের সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি যে টিকা নিয়ে কোনো বৈষম্য হওয়া উচিত না। কিন্তু ধনী দেশগুলো সব টিকা নিয়ে বসে রয়েছে, তাদের জনগণ থেকে বেশি। অনেকগুলো দেশের টিকার মেয়াদ চলে যাচ্ছে। তারা মুখে বলে আমাদের দেবে। কিন্তু কেউ দেয় না। আবার দেওয়ার আগে জিজ্ঞাস করে আমাদের ভোট দেবেন কিনা।’

তিনি বলেন, ‘টিকা আরেকটি যন্ত্র হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে শোষণ করার। টিকার বিষয়ে জাতিসংঘের মহাসচিবকে বলেছি আরও শক্ত হতে। এটি সবার অধিকার। চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র কারও কাছ থেকে করোনা টিকার কোনো সুখবর পাওয়া যাচ্ছে না? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সুখবর যে পাবো, কখন পাবো, কতটুকু পাবো এটি এখনো আমরা কনফার্ম হতে পারিনি।’

শ্রমিকদের টিকা নিয়ে প্রশ্ন করলে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ফোন করেছিলেন। আমরা তখন প্রস্তাব দিয়েছি যে দেশে করোনার পরীক্ষা করিয়ে শ্রমিকদের সৌদিতে কোয়ারেন্টিন না করিয়ে বাংলাদেশে ৭ দিন কোয়ারেন্টিন করার বিষয়টি। সৌদিতে কোয়ারেন্টিন বিষয়টি তুলে দিতে বলেছি। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের ডাবল ডোজ টিকা দিয়ে পাঠাবো।’

তিনি বলেন, ‘জনসনের টিকা একটি ডোজ হলেই হয়। মূখ্য সচিবকে অনুরোধ করেছি জনসনের টিকা প্রবাসীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ রখাতে। তাদের এ টিকা দেওয়া গেলে বিদেশে কোয়ারেন্টিন করতে হবে না। এতে শ্রমিকদের হয়রানি কমবে। এ প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা চলছে। আশা করি এটি ইতিবাচক ফল আসবে।’

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা শুনছি জাপানের জনসংখ্যা ১২ কোটি। তাদের টিকা রয়েছে ৪৪ কোটি। এর মধ্যে তাদের ৩ কোটি অক্সফোর্ডের টিকা রয়েছে। আমরা এগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু টিকা সমস্যার সমধান তখনই হবে, যখন আমরা তৈরি করবো। নিজেরা তৈরি করলে অন্যদের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না।’

রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে টিকা চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করলে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা টিকা চুক্তি নিয়ে চুড়ান্ত ধাপে রয়েছি। যেকোনো দিন হবে। এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন