• আজ বুধবার, ১৩ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জুলাই, ২০২১ ৷

কোরবানির পশুর হাট বন্ধ রাখার প্রস্তাব পরামর্শক কমিটির

হাট
❏ বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৫, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ঈদ ঘিরে সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। আরও ১৪ দিন কঠোর বিধিনিষেধ চালিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করেছে তারা। সেইসঙ্গে কোরবানির হাট বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

গত সোমবার (১২ জুলাই) রাতে পরামর্শক কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়। বুধবার (১৪ জুলাই) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় কমিটি।

এতে বলা হয়, লকডাউনের অংশ হিসেবে কমিটি কোরবানির হাট বন্ধ রাখার প্রস্তাব করে প্রয়োজনে ডিজিটাল হাট পরিচালনার ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছে। তবে সরকার লকডাউন শিথিল করে সীমিত পরিসরে কোরবানির হাট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিলে কিছু শর্ত বেধে দিয়েছে কমিটি।

সেগুলো হলো—শহর এলাকায় কোরবানির পশুর হাট বসার অনুমতি না দেওয়া। শারীরিক দূরত্ব এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে উন্মুক্ত স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া। বয়স্ক ব্যক্তি (৫০ বছরের বেশি বয়সী) এবং অন্য কোনও রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কোরবানির হাটে না যাওয়া। হাটে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য নির্দিষ্টভাবে আলাদা পথ রাখা। বাজারে আসা সকলের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা।

জনসাধারণকে ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে না গিয়ে, যে যেখানে আছেন সেখানে অবস্থান করার বিষয়ে উৎসাহিত করা। জনসাধারণের অনলাইন কোরবানির হাটের সুবিধা গ্রহণ উৎসাহিত করা। বাড়ির আঙিনায় কুরবানি না করে, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই করা।

এছাড়া ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের জামাত যেভাবে আয়োজন করা হয়েছিল, এবারও তেমনভাবে ঈদ-উল-আজহার জামাত আয়োজন করা।

কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ

কমিটি বলছে, সারাদেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এমতাবস্থায় লকডাউন শিথিল করার সরকারি সিদ্ধান্তে কমিটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি চলমান কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেন।

করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার সারা দেশে কোভিড-১৯ পরীক্ষার সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়াচ্ছে যা সন্তোষজনক। জাতীয় পরামর্শক কমিটির আগের সভার সুপারিশের প্রেক্ষিতে বেসরকারী পর্যায়ে করোনা পরীক্ষার মূল্য পূণনির্ধারণ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

দৈনিক পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য বেসরকারী পর্যায়েও পরীক্ষা বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কিটের দাম আরও কমায় করোনা পরীক্ষার ফি কমিয়ে ১০০০-১৫০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণের পরামর্শ দেয়া হয়।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন