• আজ মঙ্গলবার, ১৯ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ৩ আগস্ট, ২০২১ ৷

শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি মালিকদের, সিদ্ধান্ত শনিবার

garments
❏ বৃহস্পতিবার, জুলাই ১৫, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ঈদের পর সরকারঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে শিল্প কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন মালিকরা। এ বিষয়ে শনিবার (১৭ জুলাই) সরকারের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিল অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসারিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যান্যুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ টেরিটাওলে অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বৈঠকে করে এই দাবি জানান।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, ‘সরকার নতুন করে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছি। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর জন্য বলেছি। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আমরা চিঠি দিয়েছি। বিধিনিষেধের মধ্যে যে সময়টুকু কারখানা বন্ধ থাকবে, তার মধ্যে রফতানিমুখী শিল্পগুলো কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সে বিষয়গুলো জানিয়েছি। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সে অনুযায়ী বিবেচনা করতে বলেছি।’

ফারুক বলেন, ‘আমাদের আবেদন শিল্প কারখানা যেন খোলা থাকে। কারণ আমরা জানি শিল্প কারখানা যদি খোলা না রাখা যায়, এটা মারাত্মকভাবে নেতিবাচক হিসেবে দেখা হয়। করোনার প্রথম ধাক্কায় শিল্প কারখানাগুলোর অনেক অর্ডার বাতিল হয়েছিল। আবার সেগুলো ফিরে এসেছে। এগুলো বাস্তবায়ন করছি। উইন্টার ও ফল সিজনের শিপমেন্টগুলো ১৫ আগস্টের মধ্যে শিপমেন্ট করতে হয়।’

‘সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডির অল্প সময়ের জন্য সিজন থাকে। সে কারণে এই শিপমেন্টগুলো যদি দিতে না পারি, যেসব অর্ডার এনেছি, ফ্যাক্টরিগুলো দেউলিয়া অবস্থার মধ্যে চলে যাবে। ক্লোজিং ভীষণ সমস্যায় পড়ে যাবে। এজন্য জীবন-জীবিকার সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছি। শনিবার সভা আছে, সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।’

২৩ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া ১৪ দিনের লকডাউনে কাজ বন্ধ রাখা হলে রফতানিতে গুরুতর সমস্যা তৈরি হবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন গার্মেন্টস মালিকরা। জানান, পোশাক উৎপাদকদের জন্য জুলাই-আগস্ট মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসময় পশ্চিমা বাজারে শীত ও বড়দিনের জন্য বিক্রি বেড়ে যায়। বাংলাদেশ থেকে রফতানি করা মোট পোশাকের ৪০ শতাংশই এ দুই মাসে রফতানি হয়।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে লেখা উনাদের চিঠি পেয়েছি। চিঠিটি যত দ্রুত সম্ভব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছাবো। লকডাউন চলাকালে শিল্প-কারখানা খোলা থাকবে কি না, সেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। উনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, তা আপনাদেরকে পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।’

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন