🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ১৪ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

কক্সবাজারে প্রেমিকাকে ‘ধর্ষণ চেষ্টা’ মামলায় পুলিশ কনস্টেবল কারাগারে!

rape
❏ রবিবার, আগস্ট ১, ২০২১ চট্টগ্রাম

শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবিরে কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে ফেসবুকে এক নারীর সাথে পরিচয়-ই কাল হলো আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান (এপিবিএন-১৪) সদস্য কনস্টেবল ফরহাদের।

বেশ কিছুদিন অন্তরঙ্গভাবে কথা বলার পর সেই নারীর দায়ের করা ‘ধর্ষন চেষ্টা’র মামলায় কারাগারে গেছেন ফারহাদ।

শনিবার রাতে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে, তার মামলা ও কারাগারে যাবার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কি ঘটনা মামলা পর্যন্ত গড়ালো তা সবিস্তারে জানাননি উখিয়া থানার ওসি আহমেদ সনজুর মোরশেদ।

মো.ফরহাদ কক্সবাজারের কর্মরত এপিবিএন-১৪ এর কনস্টেবল। শনিবার বিকেলে ফরহাদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানাতেই মামলাটি লিপিবদ্ধ হয় এবং সন্ধ্যায় তাকে করোনাকালীন বিশেষ আদালতে সোপর্দ করা হয়।

সূত্র জানায়, কর্মস্থলে কাজের ফাঁকে ফরহাদের সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয় উখিয়ার এক নারীর। সেই পরিচয় থেকেই তাদের মাঝে অন্তরঙ্গ বন্ধুত্ব হয়। প্রেমিক যুগলের মতোই দুজনের মাঝে কথা হতো। দেখাও হয়েছে তাদের। কি নিয়ে যেন দুজনের মাঝে বৈরী সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সূত্র ধরেই ওই নারী শনিবার পুলিশ কনস্টেবল ফরহাদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় ধর্ষণ চেষ্টা মামলা করেছেন।

আর মামলাটি আমলে নিয়ে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এরপর করোনাকালীন বিশেষ আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তামান্না ফারাহ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রাতেই তাকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার আদালতের ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী।

উখিয়া থানার ওসি আহমেদ সনজুর মোরশেদ বলেন, ভিকটিম তার অভিযোগের বিষয়ে কিছু প্রমাণ উপস্থাপন করায় ১৪- এপিবিএনে কর্মরত কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলাটি আমলে নিয়েছি। আইন সবার জন্য সমান এটা আমরা সবসময় লালন করি। নিয়ম মতে অভিযুক্ত ফরহাদকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় উখিয়া থানা পুলিশ। ভিকটিম নারীটি স্থানীয়, এরচেয়ে বেশি কিছু বলতে চাননি ওসি সনজুর।

এদিকে, বিষয়টি সম্পর্কে জানতে ১৪-এপিবিএন অধিনায়ক (এসপি) মো. নাইমুল হকের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করা হয়। রিং হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এ বিষয়ে কথা বলতে চেয়ে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার উত্তরও করেননি তিনি।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের তত্বাবধায়ক (সুপার) নেছার আলম জানান, নারী মামলায় এক পুলিশ সদস্য শনিবার রাতে কারাগারে এসেছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন