🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ১৪ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ দিন: হাইকোর্ট

সুপ্রিম কোর্ট
❏ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৫, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম হবে শুধু ঘটনাস্থলকেন্দ্রীক। যেখানে ঘটনা ঘটবে সেখানেই শুধু আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। চেম্বারে বা থানায় বসে আদালত পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই। এসব বিষয় উল্লেখ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে বলেছে হাইকোর্ট।

ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে কথা বলতে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলকে নির্দেশনা দিয়েছে আদালত।

একইসঙ্গে আদালত নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় দুই শিশুকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়ার ঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা রাজিয়ার ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে। ২৬ আগস্টের মধ্যে এ ব্যাখ্যা দিতে হবে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনকে উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, ‘আমি যতটুকু নিউজ পড়ে জেনেছি, নেত্রকোনায় ম্যাজিস্ট্রেট রাজিয়া সুলতানা তার চেম্বারে বসে সাজা দিয়েছেন। এভাবে কি সাজা দিতে পারেন?’

আদালত বলেন, ‘মিস্টার অ্যাটর্নি জেনারেল সব দিক আপনাকে দেখতে হবে। আপনি দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল। আইনের কীভাবে প্রয়োগ হচ্ছে। এটা আপনার দেখা উচিত।’

জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘মাই লর্ড আমি তো এ বিষয়ে কিছু জানি না।’

আদালত বলেন, ‘অন দ্যা স্পটে গিয়ে মোবাইল কোর্ট সাজা দিতে পারে। কিন্তু উনি তো চেম্বারে বসে সাজা দিয়েছেন।’

জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেলও বলেন, ‘ইয়েস, স্পটে (যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে) সাজা দিতে পারেন।’

আদালত বলেন, ‘চেম্বারে বসে সাজা দেওয়া কোনো সুযোগ নেই। থানায় বসেও সেটা করার সুযোগ নেই। এ ঘটনা শুধু নেত্রকোনাতে ঘটেনি। পত্র পত্রিকায় দেখি এ রকম আরও ঘটনা ঘটেছে, হয়ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কিন্তু দেখা যায়, ঘটনার দুই তিন দিন পরে গিয়ে মোবাইল কোর্ট সাজা দিচ্ছে। এ রকম ঘটনাও ঘটছে। কিছুদিন আগে বরগুনার এক ব্যক্তিকে দুই তিন পরে গিয়ে মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্টের স্পিরিট কিন্তু এটা না। এ বিষয়টা আপনি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে বলুন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের যে ট্রেনিং হয়, সেখানে মোবাইল কোর্টের পাওয়ার কীভাবে প্রয়োগ করতে হবে তা যেন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আপনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের সঙ্গে কথা বলুন।’

তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘মাই লর্ড আমি এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের সঙ্গে কথা বলব।’

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন