🕓 সংবাদ শিরোনাম

মকবুলের মরদেহ দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল, স্ত্রী সন্তানকে আর্থিক সহায়তা * রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না, আমরাও করব না: ওবায়দুল কাদের * নয়াপল্টন থেকে মির্জা ফখরুলকে ফিরিয়ে দিলো পুলিশ * বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আরও ১,২৫০ কোটি টাকা ঋণ নিলো ২ ইসলামী ব্যাংক * দুই মামলায় হাজিরা দিলেন মির্জা ফখরুল-আব্বাস * থমথমে নয়াপল্টন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ * ফুলবাড়ীতে অপহরণের ২১ দিনেও উদ্ধার হয়নি নরসুন্দর বাবলু ! * বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দেশে কোন মানুষ ঠিকানাহীন থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী * ভারতকে টানা ২ সিরিজ হারাল বাংলাদেশ * ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে ভুল প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ *

  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ৮ ডিসেম্বর, ২০২২ ৷

জামালপুরে ঢিলেঢালা লকডাউন, সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী

Jamalpur news
❏ শনিবার, আগস্ট ৭, ২০২১ ময়মনসিংহ

রকিব হাসান নয়ন, জামালপুর প্রতিনিধি: করোনার সংক্রমণরোধে চলমান কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধের ১৬ তম দিনে জামালপুর মানা হচ্ছে না কোনো প্রকার স্বাস্থ্যবিধি। ফলে করোনার সংক্রমণ আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার (৬ আগষ্ট) সকালে মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী বাজারে গিয়ে দেখা‌ যায়, অনেকের মুখেই নেই মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্য বিধি না মেনে চলাফেরা করছে, রাস্তার ধারে বিভিন্ন দোকানপাট ও খোলা রয়েছে। রাস্তায় ভ্যান, অটোরিকশা,   সিএজি ও ট্যাক্টরসহ বিভিন্ন যানবাহনে গাদাগাদি করে বসে চলাচল করতে।

মেলান্দহ বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, বিধি- নিষেধের কোনো বালাই নেই। মাছের দোকান ও সবজির দোকান গুলোতে ক্রেতা সমাগম। ক্রেতা ও বিক্রেতার মুখে মাস্ক নেই এবং একে অপরের গা ঘেঁষে কেনাকাটা করছেন কোনো শারীরিক দূরত্ব মানছেন না। মিষ্টির দোকান, খাবার হোটেল ও মুদি দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে।

মেলান্দহ পৌর এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল, সাইকেল ও মানুষের সমাগম দেখলে বোঝার উপায় নেই কোথাও লকডাউন আছে।

হাজরাবাড়ী পৌর এলাকার অটোরিকশা চালক আব্দুল দুলাল বলেন, আমারা ৮ জন করে যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাই। কেউ তো কিছুই বলেনা। আপনি আমাকে প্রথম জিগাইলেন অটোরিকশা এত যাত্রী নিয়ে কোথায় যান।

মেলান্দহ বাজারে ব্যবসায়ী আসাদুল্লাহ বলেন, দূর থেকে পুলিশ দেখেই সকল দোকানপাট বন্ধ করে ফেলা হয়। আবার পুলিশ চলে গেলেই দোকানপাট খোলা হয়। কেউ কেউ দোকান বন্ধ না করতে পারলে পুলিশ দেখলে করে তাকে জরিমানা করে। আমারা কবে থেকে ভালোভাবে দোকান খুলতে পারবো। বেচাকেনা খুবই কম হয়, তেমন বেচাকেনা নেই এখন কষ্টে সংসার চলছে।

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের একাধিক দল মাঠে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে কাজ করছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা ও করছে প্রতিদিন। তবে ও প্রভাব পড়ছে না সাধারণ মানুষের মাঝে।

এদিকে শুক্রবার গত ২৪ ঘন্টায় মেলান্দহ উপজেলা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২ জন। মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মকর্তা ডা. ফজলুল হক আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলা যদি সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলা লোকজন তাহলে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়বে।

তাছাড়া গত জুলাই মাসে মেলান্দহ উপজেলার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮ জন, মারা গেছে ১২ জন। আগষ্ট মাসের ১ তারিখে থেকে আজ ৭ আগষ্ট পর্যন্ত ছয় দিনে উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছে ২৭ জন ।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শফিকুল ইসলাম বলেন, লকডাউন কার্যকর করতে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালা হচ্ছেন । স্বাস্থ্যবিধি মানাতে প্রচার চালানো হচ্ছে। পুলিশ, সেনাবাহিনীরে টহল অব্যাহত রয়েছে। সচেতনতা আরো বাড়ানোর জন্য উপজেলায় মাইকিং করা হবে।