🕓 সংবাদ শিরোনাম

শরীয়তপু‌রে বে‌পরোয়া কিশোর গ্যাং, হাত বাড়া‌লেই মিল‌ছে মাদক!বিএনপির কোনো পরিকল্পনা সার্থক হবে না: শাজাহান খানকর্ণফুলীতে ধান ক্ষেত থেকে রিক্সা চালকের লাশ উদ্ধারঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হবে ২০২৬ সালেমালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস কারখানার বাংলাদেশী মালিকসহ ৪৫ জন রিমান্ডে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন কার্যক্রম উদ্বোধনসংকুচিত হচ্ছে বনাঞ্চল: টেকনাফে ফের বন্য হাতির অস্বাভাবিক মৃত্যুদেশে বিনিয়োগ করুন: প্রবাসীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীকরোনা ও উপসর্গে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে মৃত্যু ৯হিলিতে বেড়েছে কাঁচামরিচের ঝাঁজ, বিপাকে সাধারণ ক্রেতা

  • আজ শনিবার, ১০ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কম, মাদ্রাসা খুলে দিন: খেলাফত মজলিস

assam-madrasa-
❏ বুধবার, আগস্ট ১১, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে কওমী মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন। এ ছাড়া গণটিকা দান কর্মসূচির ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খলা বন্ধ করারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান মজলিসের দুই নেতা।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ দেড় বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় একদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে। বহু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে নেমে এসেছে ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের চেয়েও মারাত্মকভাবে করোনা আক্রান্ত ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতেও এত দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়নি। যেহেতু ১১ আগস্ট থেকে সারা দেশে সব কিছুই খুলে দেয়া হচ্ছে তাই স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও খুলে দিতে হবে। প্রয়োজনে দুই শিফটে নির্ধারিত দূরত্বে শিক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস করা যেতে পারে।

খেলাফত মজলিসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা কর্মসূচির আওতায় আনুন। বিশেষ করে কওমি মাদ্রাসা ও হেফজখানাগুলো আগে খুলে দিন। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগ আবাসিক হলে থাকায় সংক্রমণ ঝুঁকিও কম। এছাড়া করোনার সময়েও রমজানের আগে পর্যন্ত মাদ্রাসাগুলো খোলা ছিল, কিন্তু সেখানে ব্যাপক সংক্রমণের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন