• আজ শুক্রবার, ১৪ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

করোনায় সম্মুখ যোদ্ধা ডা. মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী, বাড়িতে গিয়েও দিচ্ছেন চিকিৎসা

doc 523
❏ রবিবার, আগস্ট ১৫, ২০২১ Uncategorized

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- গত দেড় বছর ধরে করোনার প্যানডেমিক চলছে তার আপন গতিতে, তাণ্ডবলীলা চালিয়ে যাচ্ছে সারা বিশ্বে। শুরু থেকেই ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রথম সারির যোদ্ধা, তারা সব ভয় জয় করে জীবনবাজি রেখেই আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে, করোনাকালের পুরোটা সময় অভাবনীয় সেবা দিয়েছেন এবং দিয়ে চলছেন।

তেমনই একজন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কর্মরত ডাঃ মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী। ৫-৬ মাস হয়েছে হয়ে পরিবারের মানুষদের কাছাকাছি যাওয়া বন্ধ করেছেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই করোনার এই মহামারীতে লড়বেন তিনি মানবজাতির যোদ্ধা হয়ে।

আর তাই করোনাকালীন কোভিড ইউনিটে নির্ধারিত ডিউটির বাইরে লড়ে যাচ্ছেন নিজ এলাকার করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাসায় গিয়ে চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিয়ে।

পাশাপাশি অসংখ্য স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক তথ্য বিশ্বাসযোগ্য তথ্যসূত্রসহ সহজ বাংলা ভাষায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকারে ও লেখালেখিতে এবং খুব কম ভিজিটে চেম্বারে এলাকাবাসীদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানবতার কল্যাণের নিরবে কাজ করে যাচ্ছেন ডাঃ মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যায়ামের গুরুত্ব, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে ব্যায়াম কি কি আছে? কোন খাবার খেলে ওজন কমবে? এইসব সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জানলে চিকিৎসা খরচ যেমন অনেক কমে যাবে, ঠিক তেমনি অনাকাঙ্ক্ষিত অসুখ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

৩ লাখের বেশি মানুষ এখন মাহামুদুলের ফেসবুক পেজ অনুসরণ করেন। অন্যদিকে ইউটিউবে তাঁর স্বাস্থ্যবার্তার ভিডিও প্রায় ১২ লাখ বার দেখা হয়েছে।

পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শ ও খাদ্যাভাস, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি নানা রোগে মানুষের করণীয়, এসব রোগ প্রতিরোধের উপায়, বিভিন্ন রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা, করনো ভ্যাকসিন নিয়ে নিয়মিত তথ্য, প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শ এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নানা পরামর্শমূলক ভিডিও বানাচ্ছেন তিনি।

করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সম্মুখসারির একজন চিকিৎসক হিসেবে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

ডাঃ মাহামুদুল ইসলাম চৌধুরী মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে একজন মানুষের ঘাড়ে দায় বেশি। সেই দায় থেকে করোনা রোগীদের জন্য সাধ্যমত কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি ২০১৫ সালে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। পরর্বতীতে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে (স্বাস্থ্য ক্যাডার) হিসেবে যোগ দেন।

প্রচারবিমুখ এই মানবিক ডাক্তার তাঁর ব্যক্তিগত চেম্বারে গরিবদের কথা ভেবে খুব অল্প ভিজিটে রোগী দেখছেন। এছাড়া তাঁর চেম্বারে ফ্রীতে সেবা পান-অতি দরিদ্র যেকেউ, এতিম এবং মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী, মসজিদের হুজুরগণ, তাঁর শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ, তাঁর কাছের বন্ধুগণ এবং মেডিকেল, ডেন্টালে বিষয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রীরা।