• আজ মঙ্গলবার, ৬ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

ত্রিশালে কাঁদাযুক্ত পানি জমে রাস্তার বেহালদশা, জনদুর্ভোগ চরমে

road new
❏ বুধবার, আগস্ট ১৮, ২০২১ দেশের খবর, ময়মনসিংহ

মামুনুর রশিদ, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি- ময়মনসিংহের ত্রিশালে রাস্তা দেখলে মনে হবে এটা কোন রাস্তা নয় যেন ছোট একটা পুকুর। উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বগার বাজার চৌরাস্তা থেকে সানকিভাঙ্গা বাজার রাস্তার বগার বাজার চৌরাস্তা মোড়ে সারা বছরই জমে থাকে কাঁদাযুক্ত পানি। একটু বৃষ্টি হলে এর অবস্থা হয়ে পড়ে আরো খারাপ।

কাঁদাযুক্ত পানি জমে থাকার ফলে শিক্ষার্থী, দোকানদার, গার্মেন্সকর্মী ও জনসাধারনের চলাচলে সিমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এটি উপজেলার দুই ইউনিয়ন ও ফুলবাড়িয়া উপজেলার সংযোগ সড়ক। এ সড়কে রয়েছে আকিজ সিরামিকস, খাদ্য ফেক্টরী নিপ্পনসহ কয়েকটি কারখানা।

স্থানীয়রা জানান, বগার বাজার চৌরাস্তা থেকে সানকিভাঙ্গা বাজার এটি একটি ব্যস্ততম সড়ক। এখানে রয়েছে কয়েকটি কারখানা। এই সড়কের চৌরাস্তা মোড়ে সারা বছরই পানি আটকে থাকে। পানি নিষ্কাসনের নেই কোন ব্যবস্থা। রাস্তার দুইপাশে উচু করে মার্কেট তৈরী করা হয়েছে পানি কোথাও যেতে পারে না। আগে পানি কিছু আটকে থাকতো কিন্তু আকিজ সিরামিকস রাস্তার পাশ দিয়ে গর্ত করে গ্যাসের লাইন নেওয়ার ফলে এখন সারা বছরই পানি আটকে কাঁদা হয়ে গেছে। এই রাস্তা দিয়ে হেটে চলা কষ্টকর। এই বেহাল রাস্তার কারনে অনেকেই আহত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা এম এম মাসুদ রানা জানান, এ রাস্তাটি নিয়ে আমরা অনেক বিপদে আছি। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে অল্প বৃষ্টিতেই কাদার সৃষ্টি হয়।এতে রাস্তায় পায়ে হেটে চলা দুস্কর হয়ে দাড়িয়েছে। বৃষ্টি না থাকলেও সারা বছর এখানে পানি আটকে থাকে। এ জায়গায় কাদা-পানি জমায় চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে সাধারণ পথচারীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, এ রাস্তায় পানি নিষ্কাশনের নেই কোন ব্যবস্থা। দুই পাশে মার্কেট, কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে অল্প বৃষ্টিতেই কাঁদার সৃষ্টি হয়। যার ফলে মানুষ পায়ে হেটেও যেতে কষ্ট হয়। রাস্তায় সারা বছর পানি আটকে থাকার ফলে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তে সাধারন মানুষ নিজ উদ্যোগে লাল নিশান লাগিয়ে রেখেছেন। গাড়ী চালকসহ অনেককেই পড়তে হয়েছে বেকায়দায়। বিশেষ করে বর্ষা মওসুমে জনগনের দুর্ভোগ সীমাহীন।

স্থানীয় আমিরাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান ভুট্রোর সগ্নে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমি উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেবকে নিয়ে পরিদর্শন করেছি। আটকে থাকা পানি নিষ্কাষনের জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই সড়কটি রোডস এন্ড হাইওয়ের তাদের কেউ অবগত করা হবে। সড়কটি দিয়ে চলতে মানুষকে যেন দুর্ভোগ পোহাতে না হয়, তার জন্য দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন