• আজ বুধবার, ১২ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

pm
❏ মঙ্গলবার, আগস্ট ২৪, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- বাংলাদেশ থেকে যেসব কৃষি পণ্য রপ্তানি হয় সেগুলোতে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিতের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যাতে করে বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম আরও বাড়ে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মঙ্গলবার তিনি এ নির্দেশ দেন। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাগুলো সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল ইসলাম।

একনেক সভায় কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউজে স্থাপিত উদ্ভিদ সংগনিরোধ ল্যাবরেটরিকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরিতে রূপান্তর প্রকল্প অনুমোদন পায়। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৫৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকা

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আপনারা বিদেশে মাল পাঠাবেন, মান-সম্মানের প্রশ্ন আছে, হাইজিনের প্রশ্ন আছে। বাজার ধরে রাখতে হবে, তাই সেসব মাল যেন আন্তর্জাতিক মানের হয়।

‘রপ্তানির ক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক মান রয়েছে। প্রত্যেকটি মেনে চলতে হবে। না হলে আমাদের মাল অন্যরা নেবে না। তাই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যত্ন করে মাল পাঠাবেন, প্রপার আইন কানুন মেনে পাঠান, হাইজিন মেনে পাঠান।’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, বর্তমানে কৃষি থেকে এক বিলিয়ন ডলার রফতানি আয় হয়। সঠিকভাবে মান যাচাই করে কৃষিপণ্য রফতানি করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি কৃষি রফতানি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যাতে করে বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম আরো বৃদ্ধি পায়। কৃষিপণ্য রফতানির জন্য আরো সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কার্যক্রমে বালাই শনাক্তকরণে আন্তর্জাতিকমানের ল্যাবরেটরি স্থাপনের নিমিত্তে কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউজের বিদ্যমান ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন করা এবং কৃষিপণ্য রফতানি ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিতে সহায়তা করা প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

অনুমোদন দেওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৪৪১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে ২ হাজার ৬১ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৪৮ কোটি ব্যয় করা হবে।