🕓 সংবাদ শিরোনাম

সাগরে গভীর নিম্নচাপ, সারাদেশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিস্ত্রীর তালাকে স্বামীর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যাসংক্রমণ বাড়লে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রীশরীয়তপু‌রে বে‌পরোয়া কিশোর গ্যাং, হাত বাড়া‌লেই মিল‌ছে মাদক!বিএনপির কোনো পরিকল্পনা সার্থক হবে না: শাজাহান খানকর্ণফুলীতে ধান ক্ষেত থেকে রিক্সা চালকের লাশ উদ্ধারঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হবে ২০২৬ সালেমালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস কারখানার বাংলাদেশী মালিকসহ ৪৫ জন রিমান্ডে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন কার্যক্রম উদ্বোধনসংকুচিত হচ্ছে বনাঞ্চল: টেকনাফে ফের বন্য হাতির অস্বাভাবিক মৃত্যু

  • আজ শনিবার, ১০ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

নওগাঁয় প্রভাবশালীর কাছে জিম্মি শতাধিক কৃষক, প্রশাসন নীরব!

Naogaon news
❏ বুধবার, আগস্ট ২৫, ২০২১ রাজশাহী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সময়ের কণ্ঠস্বর: জোড় যার মূল্লুক তার এমনটাই যেন দেখছে নওগাঁর বর্ষাইল ইউনিয়নের মল্লিকপুরে বাসী। দীর্ঘ তিন বছর আগে উপজেলা পরিষদ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও মিলেনি কোন স্থায়ী সমাধান। ফলে এ বছরও পানিতে ডুবে থাকা জমিতে ফসলের আবাদ করতে পারেনি গ্রামটির কৃষকরা।

স্থানীয়রা জানান, মল্লিকপুরের এই ফসলী মাঠের পানি নিষ্কাশনের মুখের ১ বিঘা জমি সিরাজুল ইসলাম(৬০) নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর।  গত তিন বছর আগে ঐ কৃষি জমির ধরণ পরিবর্তন করে  অবৈধ ভাবে ১০কাঠা জমিতে পুকুর কাটেন তিনি।  সিরাজুলের কুমতলবে খনন করা ১০ কাঠার পুকুরটিই এখন মল্লিকপুর বাসীর ১১৫ বিঘা আবাদী জমির পানি নিষ্কাশনে বাধা!

এ বিষয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ১৯ তারিখ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি সমাধানে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ৯০জন কৃষক। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস তুহিনের হস্তক্ষেপে পানি সরানো হলেও  কয়েকদিন পর আবারও তা বন্ধ করে দেয় অভিযুক্ত সিরাজুল। এ বিষয়ে স্থায়ী কোন সুরাহা এখনো হয়নি। ফলে এ বছর বর্ষা শুরুতেই  ১১৫বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে বিপাকে পড়তে হয় কৃষকদের।

ভুক্তভোগী রেজাউল করিম(৫৩) সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, এই মাঠে আমার ৭বিঘা আবাদী জমি রয়েছে। গত কয়েকবছর আগেও এখানে ধানসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ করেছি। আমার মতো এই মাঠে যাদের জমি আছে তারা সকলেই আবাদ করাতো। তবে একজন ব্যক্তির কাছে আজ সকলে জিম্মি হয়েগেছি। নিজের জমি এখন বর্ষা এলে সাগর হয়ে যায়। ফলে ব্যহত হচ্ছে কৃষি কাজ। আমার মতো অবস্থা বাকী সবারই।

এস এম সাখাওয়াত (৪৭) বলেন, আমার  এক বিঘা জমি এই মাঠে। বর্তমানে ৩ ফুট পানির নিচে। ফলে ধান চাষ করতে পারিনি। তিনি বলেন, এমনও মানুষ আছে যাদের শুধুমাত্র এই মাঠেই জমি আছে অন্য কোথাও নেই। ফলে ধান চাষ করতে না পারলে তাদেরকে খাদ্য কষ্টে পড়তে হবে।

বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা ইমামের কাছে জানতে চাইলে প্রথমে এ বিষয়ে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি তিনি। পরে তার সাথে কথোপকথোনের একপর্যায়ে তিনি সময়ের কণ্ঠস্বরকে জানান, আমরা কয়েক দফাচেষ্টা করেছি বহু সময় দিয়েছি বিষয়টি সমাধানের। স্থানীয় এমপির লোকজন এবং আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে সমাধানের চেষ্ঠা করেছি। তবে কোন কাজ হয়নি।  কেন কাজ হয়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন গ্রহনযোগ্য উত্তর দিতে পারেননি।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন