🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ১৪ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

টাঙ্গাইলে নির্মাণের ৫ মাস না যেতেই ২ কোটি ২৯ লাখ টাকার সড়কে ধস!

Tangail news
❏ শনিবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২১ ঢাকা

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: নির্মাণের ৫ মাসেই টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের হিলড়া পূর্বপাড়া থেকে হাট ফতেপুর বাজার পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসে পড়েছে। এতে যানচলাচলে বিঘ্নিত হচ্ছে।

দুই কোটি ২৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়কটির ৫ মাস না পেরুতেই বিভিন্ন অংশে ভাঙার কারণে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সড়কটির কাজ পায় টাঙ্গাইলের তাপস ট্রেডার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর কাজটি বাস্তবায়ন করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিন্মমাণের সামগ্রীসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলেন স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসী। তাদের দাবি, সড়কটি নির্মাণের সময় নিয়ম মাফিক মাটি ও বিটুমিন ব্যবহার না করার ফলে নির্মাণের ৫ মাসেই কয়েকটি অংশ ভেঙে ও দেবে গেছে। এ কারণে সড়কটি দিয়ে যাতায়াতকারী জনগণ ও যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

মহেড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা তামিম আল তালহা বলেন, সড়কটিতে অনিয়মের কথা বলতে গেলে তারা আমাদের কোনো কথাই শুনেননি। নিম্নমাণের সামগ্রীসহ নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভেঙে যাওয়ায় আমরা চরম দুর্ভোগে আছি। দ্রুত রাস্তাটি যেনো সংস্কার করা হয় সংশ্লিষ্টদের কাছে এই দাবি জানাই।

তাপস ট্রেডার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক লায়ন মো. শরিফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগে তিনি বলেন, পানির কারণে কয়েকটি স্থানে ভেঙে গেছে। কিন্তু পানি বেশি থাকার জন্য এখন ঠিক করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে পানি কমলে খুব দ্রুত রাস্তাটি ঠিক করে দেয়া হবে। নিম্নমাণের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

মহেড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাদশা মিয়া বলেন, সড়কটি যখন নির্মাণ করা হয় তখন বিভিন্ন সময় আমি পরিদর্শন করেছি কিন্তু নিয়মের বাইরে গিয়ে সড়কটি দেড় ফিট নিচু করাসহ নানা অনিয়মের কথা বলা হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু আমার কথা কর্ণপাত না করে প্রতিষ্ঠানের মালিক শরীফুল ইসলাম আমাকে দেখে দিবে বলে হুমকি দেয়। পরে আমি বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছি।

এ ব্যাপারে  উপজেলা উপ-সহকারি প্রকৌশলী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, জোয়ার ও বৃষ্টির পানির কারণে ওই রাস্তার বেশ কয়েকটি স্থানে ভেঙে ও দেবে গেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করার জন্য চিঠি দেয়া হবে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন