• আজ শনিবার, ৩ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

খুলনার বিস্ফোরক মামলায় মামুনুল হককে শ্যোন অ্যারেস্ট

mamanul n3
❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, খুলনা- হেফাজত ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হককে বিস্ফোরক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে।

রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে তাকে খুলনা অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আনা হয়। এরপর তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন আদালত। সেইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের দিন ১০ অক্টোবর ধার্য করেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কে এম ইকবাল হোসেন বলেন, আজ বেলা ১১টা ০৫ মিনিটে শুনানি শেষে তাকে জেল হাজতে নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ মামুনুল হককে এ মামলায় শোন অ্যারেস্ট করা হলো। আগামী দিনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে।

এর আগে মামলায় হাজির করার জন্য মামুনুল হককে গত শুক্রবার কাশিমপুর কারাগার থেকে খুলনা পাঠানো হয়েছে। সকালে খুলনা জেলা কারাগার থেকে তাকে আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ১১টায় তাকে প্রিজন ভ্যানে তুলে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার চার্জশিট অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বাতিল, গ্রেফতার যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি ও হেফাজতে ইসলামসহ ১২ দলের প্রায় ৩ হাজার মানুষ মিছিল বের করে। মিছিলটি নগরীর ডাকবাংলা ও ময়লাপোতা মোড় হয়ে শিববাড়ি মোড়ে গণজাগরণ মঞ্চের দিকে যাচ্ছিল। ফুজি কালার ল্যাবের সামনে পৌঁছালে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়।

এ সময় মিছিল থেকে পুলিশের ওপর ককটেল বোমা ও গুলি নিক্ষেপ করতে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ২০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। নিক্ষিপ্ত বোমার আঘাতে কিছু পুলিশ আহত হয়। মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে সেখান থেকে ২৬ জনকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়।

এ ব্যাপারে সোনাডাঙ্গা থানায় খুলনা মহানগর ইমাম পরিষদের কয়েকজন নেতা ও হেফাজত ইসলামর নেতা মাওলানা মামুনুল হকসহ ২৬ জনের নামে ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানার এসআই আলমগীর কবীর মামলা দায়ের করেন।

চার্জশিটে আরো উল্লেখ করা হয়, ওই ঘটনার আগের দিন নগরীর ময়লাপোতা মসজিদ মোড়ে ওয়াজ করার সময় মামুনুল হকসহ অন্যরা সংগঠিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা ও গণজাগরণ মঞ্চ ভাংচুরসহ পুড়িয়ে দেয়ার জন্য অনুসারিদের নির্দেশ প্রদান করেন। ২০১৫ সালের ২১ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো: মোক্তার হোসেন মোট ১০৭ জনের নামে আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।

আরও পড়ুন :

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন