• আজ শনিবার, ৩ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

‘পুলিশ কর্মকর্তা সোহেলকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে’


❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- গ্রাহকের টাকা আত্মসাতে অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের কথিত পৃষ্ঠপোষক বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাড়ে ১২টার দিকে নিজ কার্যালয়ে ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, যেহেতু ভারতে মামলা হয়েছে এ কারণে তাকে ফিরিয়ে আনা যাবে কি-না সেটি নিশ্চিত না। তবে ফিরিয়ে আনার রাস্তা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিএসএফকে চিঠি দিয়ে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এটি অনেক সময় করা হয়। আমরা চেষ্টা করছি ফিরিয়ে আনার জন্য। যদি এ মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হয় তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাকে ফেরত আনার চেষ্টা করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, তার (পরিদর্শক সোহেল রানা) ব্যাপারে গুলশান বিভাগ পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে রিপোর্ট পেলে শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে পুলিশ কর্মকর্তা সোহেল রানাকে আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তিনি আটক হন। এরপর সোহেলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় তাকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

প্রায় সাড়ে ১১শ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একাধিক সংস্থা মামলার তদন্ত শুরু করেছে। এর মধ্যেই সোহেল পালালেন।

পুলিশ জানায়, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের অন্যতম পরিচালক সোহেল রানার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা হওয়ার পরপরই গা-ঢাকা দেন তিনি।

এর আগে সোহেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেন এক ভুক্তভোগী। আদালতের নির্দেশে দায়ের করা মামলার অন্য আসামিরা হলেন ই-অরেঞ্জের মালিক সোহেল রানার ছোট বোন সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ, নাজনীন নাহার বীথি, কাওসার, কামরুল হাসান, আব্দুল কাদের, নুরজাহান ইসলাম সোনিয়া ও রুবেল খান।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন