🕓 সংবাদ শিরোনাম

স্ত্রীর তালাকে স্বামীর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যাসংক্রমণ বাড়লে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রীশরীয়তপু‌রে বে‌পরোয়া কিশোর গ্যাং, হাত বাড়া‌লেই মিল‌ছে মাদক!বিএনপির কোনো পরিকল্পনা সার্থক হবে না: শাজাহান খানকর্ণফুলীতে ধান ক্ষেত থেকে রিক্সা চালকের লাশ উদ্ধারঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হবে ২০২৬ সালেমালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস কারখানার বাংলাদেশী মালিকসহ ৪৫ জন রিমান্ডে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন কার্যক্রম উদ্বোধনসংকুচিত হচ্ছে বনাঞ্চল: টেকনাফে ফের বন্য হাতির অস্বাভাবিক মৃত্যুদেশে বিনিয়োগ করুন: প্রবাসীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

  • আজ শনিবার, ১০ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

কোটালীপাড়ায় ৫৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ!

Gopalgonj news
❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১ ঢাকা

মেহেদী হাসানাত, গোপালগঞ্জ  প্রতিনিধি: দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হচ্ছে দেশের সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়। সে ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ১৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও খুলে দেওয়া হবে। আর এই বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার আনন্দে ভাসছে শিক্ষার্থীরা।

তবে উপজেলার কিছু কিছু বিদ্যালয় ভবন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় এ সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে এক ধরণের উদ্বেগ কাজ করছে। যে কোন মূহর্তে জরাজীর্ণ এ সব ভবনের ছাদ ধসে দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

এ উপজেলার  ১৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৬টি বিদ্যালয়ের ভবন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে বলে উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানাগেছে। এ সকল বিদ্যালয়ে বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিদ্যারয়গুলো খুলে দেওয়ার সাথে সাথে শিক্ষকগন শিক্ষার্থীদের এই  জরাজির্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান করাবেন।

৪০ নং ধারাবাশাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিখিল চন্দ্র বাড়ৈ বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে ৩৭৬জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এই শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানোর জন্য একটি টিন সেট ভবন ও দু’কক্ষ বিশিষ্ট একতলা একটি পাকা ভবন রয়েছে। এই পাকা ভবনের একটি রুমে রয়েছে আমাদের অফিস কক্ষ। অপর কক্ষে আমরা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাই। এ ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনটির পলেস্তারা খসে পড়ছে। টিন সেট ভবনটি ঝঁুকিপূর্ণ হয়েছে প্রায় ১৫বছর আগে। এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই আমরা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাই।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অনিপ হালদার বলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমরা উপজেলা শিক্ষা অফিসে চিঠি দিয়ে আসছি। কিন্তু কোন ফল হচ্ছে না। বিকল্প কোন ব্যবস্থা না থাকার কারণে আমরা এই ঝঁুকিপূর্ণ ভবনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছি।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য নীল কন্ঠ বাড়ৈ বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের দুটি ভবনই ঝঁুকিপূর্ণ। পাকা ভবনটির শ্রেণি ও অফিস কক্ষের পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়টি খুললে ঝঁুকির মধ্যে থাকবে। এই বিদ্যালয়ে কোন দূর্ঘটনা ঘটার আগেই কতর্ৃপক্ষের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাফায়েত হোসেন বলেন, আশপাশের উপজেলাগুলোর চেয়ে আমাদের এ উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার মান অনেক উন্নত। বর্তমান সরকার এ উপজেলায় পর্যাপ্ত শিক্ষ উপকরণ দিচ্ছেন। কিন্তু আমাদের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন নেই। অনেক বিদ্যালয়ের ভবন ঝঁুকিপূর্ণ রয়েছে। অপরদিকে অনেক বিদ্যালয়ে পিডিবি-২ এর আওতায় দু’কক্ষ বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশী থাকার কারণে শিক্ষকদের পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। তাই আমি দ্রুত প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ভবন সমস্যা সমাধানের দাবি জানাচ্ছি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার অরুন কুমার ঢালী বলেন, আমরা এই জরাজির্ন ও ঝুঁকিপূর্ন ভবনগুলোর তালিকা গত বছরের জানুয়ারি মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠিয়েছি। এ সকল ভবন পাস হয়েছে কি না এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত চিঠি পাইনি। তবে আশা করছি শীঘ্রই ভবনগুলো পাস হবে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন