🕓 সংবাদ শিরোনাম

স্ত্রীর তালাকে স্বামীর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যাসংক্রমণ বাড়লে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রীশরীয়তপু‌রে বে‌পরোয়া কিশোর গ্যাং, হাত বাড়া‌লেই মিল‌ছে মাদক!বিএনপির কোনো পরিকল্পনা সার্থক হবে না: শাজাহান খানকর্ণফুলীতে ধান ক্ষেত থেকে রিক্সা চালকের লাশ উদ্ধারঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হবে ২০২৬ সালেমালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস কারখানার বাংলাদেশী মালিকসহ ৪৫ জন রিমান্ডে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন কার্যক্রম উদ্বোধনসংকুচিত হচ্ছে বনাঞ্চল: টেকনাফে ফের বন্য হাতির অস্বাভাবিক মৃত্যুদেশে বিনিয়োগ করুন: প্রবাসীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

  • আজ শনিবার, ১০ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ 

HILI PIC
❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২১ রংপুর

মোঃ আব্দুল আজিজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ২নং কাটলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন বিরুদ্ধে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ, সাত দিনের মধ্যে ঘর দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন চেয়ারম্যান নাজির হোসেন। এনজিও’র কিস্তি আর ধারদেনা করে এই টাকা জোগাড় করেন মরজিনা বেগম। এখন পাওনা টাকা পরিশোধ করতে অনেক হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। অসহায় হতদরিদ্র মোরজিনা বেগমের ৪০ হাজার টাকা দিয়েও ঘর পাননি বলে অভিযোগ করেন।

২নং কাটলা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কথা হয় ভুক্তভোগী মরজিনা বেগমের সাথে। তিনি জানান, ইউনিয়নের উত্তর কাটলা গ্রামে বাড়ি। আমি গরিব মানুষ। আমার স্বামী থেকেও নেই। আমাকে ছেড়ে ঢাকাতে আরেকটা বিয়ে করেছেন তিনি। অনেক কষ্ট করে ৩ সন্তানকে মানুষ করছি। আমার বাড়ি ঘর না থাকার কারণে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন আমাকে একটি সরকারি ঘর দিতে চায়। এর বিনিময়ে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন।

পরে চেয়ারম্যানের শালা  (বোনের ভাই) শহীদুলের হাতে ৪০ হাজার টাকা দেই। সাতদিন অতিবাহিত হলে চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন কাগজপাতি সব উপরে পাঠানো হয়েছে। অল্প দিনের মধ্যেই তেমাকে (মরজিনা) ঘর দেওয়া হবে।  দেখতে দেখতে এখন প্রায় তিন বছর হলো, কিন্তু আজ পর্যন্ত চেয়ারম্যান আমাকে ঘরের ব্যবস্থা করে দেয়নি। আমি গরিব মানুষ একটি ঘরের জন্য আর কত কষ্ট স্বীকার করবো?

কাটলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজির হোসেনকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, মরজিনা বেগম নামে কোন মহিলার নিকট থেকে টাকা নেয়নি তিনি। এগুলো সব মিথ্যা ও বানোয়াট কথা।

এদিকে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিমল কুমার সরকার জানান, উপরোক্ত বিষয়ে তিনি অবগত নই। তাকে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ করলে এবিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলেও জানান তিনি।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন