🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ শনিবার, ১০ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

মানিকগঞ্জে পদ্মা-যমুনার পানি কমলেও বাড়ছে দুর্ভোগ

road 78
❏ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ঢাকা

দেওয়ান আবুল বাশার, স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জের পদ্মা নদীর পানি কমলেও এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমলেও বন্যা কবলিত এলাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় পদ্মার নদীর পানি ১৬ সেন্টিমিটার কমে এখনো বিপদসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে যমুনার পানি ১৮ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বড় দুটি নদীতে পানি কমতে থাকায় জেলার অভ্যন্তরীণ ধলেশ্বরী, কালিগঙ্গা, ইছামতি ও গাজীখালী নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পদ্মার পানি কমার সাথে সাথে জেলার হরিরামপুরের ৪টি ইউনিয়নে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মার কোল ঘেঁষা লেছড়াগঞ্জ, আজিমনগর, ধুলসুরা, গোপিনাথপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী পাড়ের মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। নদী ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিবছরই ভাঙনের মুখে পড়তে হচ্ছে স্থানীয়দের। ভাঙ্গন রক্ষায় উপজেলায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য ভাঙ্গন কবলিত এলাকার লোকজন উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মাঈন উদ্দিন বলেন, পানি বৃদ্ধির আগে কিছু এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। পানি কমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো মেরামত করা হবে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ বলেন, নদী ভাঙ্গন ও বন্যা কবলিত মানুষের জন্য নগদ ৭ লাখ টাকা ও ৮০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। আরো ১০ লাখ টাকা ও ১৫০ টন চাল বরাদ্দ এসেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে এগুলো বিতরণ করা হবে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন