• আজ সোমবার, ৫ আশ্বিন, ১৪২৮ ৷ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৷

তাসনিম খলিল, সামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

tasnim n
❏ রবিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় পলাতক সামি-খলিলসহ চারজনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ ও করোনাভাইরাস নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগে সাতজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণের পর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত রোববার এই পরোয়ানার আদেশ দেয়।

ওই চারজন হলেন আল-জাজিরার অনুসন্ধানী দলের সদস্য ও হুইসেল ব্লোয়ার হিসেবে পরিচিত সামিউল ইসলাম খান সামি, নেত্র নিউজের এডিটর-ইন চিফ তাসনিম খলিল, ব্লগার আশিক মোহাম্মদ ইমরান ও স্বপন ওয়াহিদ।

ওই মামলায় অভিযুক্ত বাকি তিনজন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার মো. দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন জামিনে আছেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নজরুল ইসলাম শামীম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী বলেন, আজ আদালতে সামি ও তাসনিম খলিলসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। এরপরে বিচারক সামিসহ চারজন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পিপি আরও বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আজ কারাগারে থাকাবস্থায় মারা যাওয়া লেখক মোস্তাক আহমেদ এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক সাহেদ আলম, ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন ও ফেসবুক আইডি ফিলিপ শুমাখাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার মো. দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন জামিনে ছিলেন। এদিন তারা ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ১০ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) আফছর আহমেদ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এজাহার থেকে জানা গেছে, গত বছরের ৫ মে র‍্যাব-৩ সিপিসি-১-এর ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে ১১ জনের নামে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরো পাঁচ-ছয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় তাদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহামারি করোনাভাইরাস সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে তারা রাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি, অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন মর্মে অভিযোগ আনা হয়।

মামলার পর গ্রেপ্তার হয়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে মিনহাজ মান্নান ও দিদারুল আলম ভূঁইয়া জামিনে মুক্তি পান। কার্টুনিস্ট কিশোর ও লেখক মোস্তাক কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২৫ মে মোস্তাক কাশিমপুর কারাগারে মারা যায়।

আসামিদের মধ্যে সায়ের জুলকারনাইন ওরফে সামি অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল বাতেন খানের ছেলে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন