• আজ বৃহস্পতিবার, ৫ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২১ অক্টোবর, ২০২১ ৷

মহেশখালীতে ভোটকেন্দ্রে গোলাগুলি: নিহত ১, ভোট গ্রহণ বন্ধ

newsnr23
❏ সোমবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের মহেশখালির কুতুবজোম ইউনিয়নে একটি ভোট কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ কামাল ও বিদ্রোহী প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ৫ জন।

তাদের মাঝে আবুল কালাম নামে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌঁনে ১১টার দিকে কুতুবজুম ৫নং ওয়ার্ড পশ্চিম পাড়ায় জামিয়ুসসুন্নাহ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে সংগঠিত ঘটনা এক ঘন্টার মাথায় আহত একজন মারা যান।

ঘটনার পর পরই ওই কেন্দ্র এবং পার্শবতী কুতুবজুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ভোটগ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়। গোলাগুলির ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা একে অপরকে দোষারোপ করছেন।

এ বিষয়ে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামাল বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থকরা ৫নং ওয়ার্ড জামিয়ুস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্রে সকাল থেকে সুশৃঙ্খল ভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল। কিন্তু খোকনের সমর্থকরা হঠাৎ ধারালো ছুরি নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে দুজনকে ছুরিকাঘাত করে। এরপরই পরিকল্পিতভাবে গুলি করে তারা। এতে আহতরা নৌকা প্রতীকের সমর্থক-কর্মী বলে দাবি করেছেন তিনি।

তবে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর করা অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশারররফ হোসেন খোকন বলেন, প্রায়ই বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দিচ্ছে শেখ কামালের সন্ত্রাসী বাহিনী। এমন খবর পেয়ে ভোটার ও তার সমর্থকরা ৪ নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রে গেলে নৌকার প্রার্থীর ক্যাডাররা গুলি করি।

তিনি আরো বলেন, ৫ নং ওয়ার্ডের জামিয়ুস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্রে দুই ইউপি সদস্য প্রার্থী ফুটবল প্রতীকের ফরিদুল আলম ও টিউবওয়েল প্রতীকের জহিরুল ইসলামের সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানেও আমার লোকজন হামলা করেছে বলে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে।

এবিষয়ে কুতু্বজুম ইউপি নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহামুদুর রহমান বলেন, গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছেঁছি। দুই কেন্দ্রই পাশাপাশি। আপাতত দুই কেন্দ্রের ভোট গ্রহন স্থগিত রয়েছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শ্রাবস্তী রায় ও কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান।

এসপি মো. হাসানুজ্জামান বলেন, দুটি কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ফলে ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। অতিরিক্ত ফোর্স এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। একটু পরে ভোটগ্রহণ আবার শুরু করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন