🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বৃহস্পতিবার, ৫ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২১ অক্টোবর, ২০২১ ৷

বেপরোয়া যান চলাচল, বাড়ছে মৃত্যু ঝুঁকি


❏ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ঢাকা

মাসুম পারভেজ, কেরানীগঞ্জ : ঢাকার কেরানীগঞ্জে সড়কের যানবাহন বেপরোয়া চলাচল করছে। এতে যাত্রী ও পথচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।

কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত বাস স্টপেজের বাইরে চালকরা বাস থামাচ্ছেন। একটি বাসের গা ঘেষে থামার কারণে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা বাসে উঠানামা করছেন। আর ফাঁকা রাস্তা পেলেই প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেন চালকরা। বাসে থাকা যাত্রীরা প্রতিবাদ করলেও চালকরা বেপরোয়াভাবেই বাস চালান।

তাছাড়া যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা এড়াতে দিনের বেলা পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কেরানীগঞ্জে তা মানা হচ্ছে না। নিয়ম ভেঙে কেরানীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া, ঢাকা-দোহার-নবাবগঞ্জ সড়কের ভিতরে দিনের বেলায় অহরহ ঢুকছে ট্রাক। এগুলো এতই বেপরোয়াভাবে চলাচল করে যে, যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের ঘটনা দুর্ঘটনা। এরমধ্যে কেরানীগঞ্জে কয়েকটি দুর্ঘটনা বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।

গণি মিয়া নামে একজন বাস চালক জানান, আমরা চুক্তিরভিত্তিতে বাস চালায়। কন্ডাক্টর ও হেলাপারের বেতন, মালিকের জমা, রাস্তার খরচ বাদ দিয়ে নিজের আয় উঠাতে হয়। তিনি আরও জানান যে, সামনের গাড়িকে পেছনে ফেলতে না পারলে যাত্রী পাওয়া যায় না। আর যাত্রী না পেলে বাড়তি আয়ও হয় না।

বাসস্টপে এসে থামার সময় আড়াআড়িভাবে এক বাস অন্য বাসকে চাপ দিয়ে বেরিকেড দেয়ার কারন জানতে চাইলে সুকুর আলী নামে এক হেলপার জানান, আশঙ্কা তো থাকেই। যাত্রী বাসস্টাফ, বিশেষ করে যারা দাঁড়িয়ে হেলপারি করি তাদের ঝুঁকি থাকে বেশি। কিন্তু আমাদের কিছু করার থাকে না। মালিকের জমার টাকা আর আমাদের বেতন, খোরাকি ও রাস্তার চাঁদার টাকা পরিশোধ করতে হয়। যেভাবেই হোক রাস্তায় গাড়ি বের হলে আমাদের টার্গেট পূরণ করতে হয়।

আরমানিটোলা স্কুল শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেসা মুনিয়া বলেন, সড়কে চলতে গিয়ে এখনও আমরা শঙ্কিত হয়ে পড়ছি। ওভারটেকিং করাসহ মাঝপথেও যত্রতত্র বাস থামানো হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ট্রাফিক পুলিশ জানান, সড়ক আইন কঠোর হলেও কেরানীগঞ্জের বাস-ট্রাক চালকরা তোয়াক্কা করছেনা। কিছুটা নিয়ম মেনে চললেও এখনো পুরোপরি মানছেনা বেশির ভাগ চালক। বাস-ট্রাক চালকদের বোঝানো কষ্টসাধ্য ব্যাপার। উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশে চালকদের ট্রাফিক সচেতনতা বিষয়ে মোটিভেশন করছি। তারপরও শৃঙখলা ফেরাতে পারছি না।

ঢাকা জেলা ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের ইন্সপেক্টর পীযূষ কুমার মালো এ বিষয় কথা বলতে রাজি হননি।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন