• আজ বৃহস্পতিবার, ১২ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৮ অক্টোবর, ২০২১ ৷

মুনিয়ার মৃত্যু: হাইকোর্টে আগাম জামিন পেলেন না বসুন্ধরার এমডি আনভীর

md
❏ বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়াকে ‘ধর্ষণ ও হত্যার’ অভিযোগে তার বোনের দায়ের করা মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের আগাম জামিনের আবেদনে সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার আনভীরের আবেদনটি আদালতের কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।

তবে আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা সায়েমের আবেদন মঞ্জুর করে তাকে এ মামলায় ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্টের এই বেঞ্চ।

আদালত বলেছে, মুনিয়ার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ‘আঘাতের চিহ্ন’ থাকায় প্রথম আবেদনকারীর (আনভীর) বিষয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ আপাতত হস্তক্ষেপ করবে না।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ্য আইনজীবী মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন।

এর আগে মুনিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান। এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় ওঠে। সেখানে আবেদনটি কার্যতালিকায় ১৪২৪ নম্বর ক্রমিকে থাকায় এ বিষয়ে শুনানির জন্য ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়।

উল্লেখ্য, গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে গত ২৬ এপ্রিল রাতে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেন মোসারাতের বড় বোন নুসরাত জাহান। এ মামলায় গত জুলাই মাসে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত গত ১৮ আগস্ট পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এরপর মামলা থেকে অব্যাহতি পান সায়েম সোবহান আনভীর।

এরপর মুনিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমদ আকবর সোবহান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরসহ আটজনের বিরুদ্ধে গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলা করা হয়।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮ আদালতে মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে ওই মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।

এই মামলাতেই আগাম জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন আনভীর।