চাঁদপুর থেকে প্রচুর ইলিশ নিয়ে ভারতে ফিরবেন কৌশানী

kousani n34n2
❏ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ বিনোদন

মাহফুজুর রহমান, চাঁদপুর প্রতিনিধি: ‘শুটিং শেষে যেদিন কলকাতার বাড়ি ফিরব, দূর্গাপুজোয় আমি বাড়ির সবাইকে চাঁদপুরের ইলিশ উপহার দেব। চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার প্রচুর ইলিশ বাড়ি নিয়ে যাব। আর সেই ইলিশ মায়ের হাতে রান্না করে খাব।“

সিনেমার শুটিংয়ের ফাঁকে এভাবেই বলছিলেন ওপার বাংলার নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। চাঁদপুরে ‘পিয়া রে’ নামে একটি চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে এসেছেন তিনি। শুটিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে পরিবারের সদস্যদের জন্য অনেক ইলিশ নিতে চান বলে জানান তিনি।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর (সোমবার) কলকাতা থেকে ঢাকায় এসেছেন কৌশানী; মঙ্গলবার থেকে চাঁদপুরে এ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি।

কৌশানী বলেন, “ইলিশ প্রতিটা বাঙালির কাছেই প্রিয়। বিশেষ করে ইলিশ, সরষে ইলিশ, ইলিশের ঝোল, ভাত, ডাল-এসব বলতে গেলেই জ্বিভে জল এসে যায়। তবে ইলিশের কাঁটা নিয়ে খুব ভয় পাই। তবুও ইলিশ আর ইলিশের ডিম খেতে আমার দারুণ লাগে।”

শাপলা মিডিয়ার প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করছেন তরুণ পরিচালক পূজন মজুমদার। এতে পিয়া নামে এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করছেন কৌশানী। তার বিপরীতে রাখালের চরিত্রে কাজ করছেন উঠতি নায়ক শান্ত খান।

এবার প্রথম কোনো বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। এর আগে টালিগঞ্জের ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

সিনেমায় নিজের চরিত্রে নিয়ে তিনি বলেন, “এতে বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে। মাঝে আমার জীবনের প্রেমের অধ্যায়টা শুরু হওয়া। আশা করছি, এই সিনেমাটার মাধ্যমে বাংলাদেশের সকলের মন জয় করতে পারব।”

দেশের অভিনেতা শান্ত খান বলেন, “শুধু অ্যাকশন হিরোর রোল প্লে করব-এমনটাতে আমি সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। আমি এই সিনেমায় রাখালের চরিত্রে অভিনয় করছি। খুবই ভালো গল্প। আমার চরিত্রের নাম ‘নূর’। কৌশানির সঙ্গে এটাই আমার প্রথম কাজ।”

সিনেমার প্রযোজক সেলিম খান জানান, এ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিতে বুধবার কলকাতার দুই অভিনয়শিল্পী খরাজ মুখার্জি ও রজতাভ দত্ত ঢাকায় এসেছেন; তারাও চাঁদপুরে শুটিংয়ে যোগ দেবেন।

এর আগে শাপলা মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালের প্রযোজনায় শামীম আহমেদ রনির পরিচালনায় টালিগঞ্জের সিনেমা ‘লাভ ভেলকী লাগ’ ও ‘ছুটি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন কৌশানী; তার বিপরীতে কাজ করেছেন কলকাতার নায়ক বনি সেনগুপ্ত।