• আজ বৃহস্পতিবার, ১২ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৮ অক্টোবর, ২০২১ ৷

আত্মসমর্পণ করতে এসে ফিরে গেলেন স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আজাদ


❏ মঙ্গলবার, অক্টোবর ৫, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- লাইসেন্স নবায়নবিহীন রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল ঘোষণা এবং করোনার নমুনা পরীক্ষায় দুর্নীতির মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এসে ফিরে গেছেন।

আজ মঙ্গলবার (০৫ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করতে আসেন তিনি। আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদনও জমা দেন।

কিন্তু বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশ এদিন অন্যান্য মামলার শুনানি নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকায় এই মামলার শুনানি গ্রহণ করতে সময় দিতে পারবেন না জানান। ফলে আইনজীবীরা আবেদনটি তুলে নিয়ে যান এবং অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদও ফিরে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক প্রসিকিউরটর জানান, আদালত মঙ্গলবার ব্যস্ত থাকায় আগামী বৃহস্পতিবার তাকে (মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ) আত্মসমর্পণের জন্য আসতে বলেছেন।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচারক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। অভিযোগপত্রে আসামিদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক সম্পাদন এবং নমুনা পরীক্ষা বাবদ ও করোনা চিকিৎসায় খরচ বাবদ তিন কোটি ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দায়ের করা মামলায় সাহেদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চার কর্মকর্তাসহ পাঁচ জনকে আসামি করা হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের নাম আসামির তালিকায় ছিল না। সংস্থাটির উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। তবে, এবার অভিযোগপত্রে সাবেক মহাপরিচালকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন—রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম।