🕓 সংবাদ শিরোনাম

নাইম-মুশফিকের ফিফটিতে শ্রীলঙ্কাকে বড় লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশশাহরুখ মোদীর দলে যোগ দিলেই মাদক হবে চিনির গুঁড়ো: মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীপীরগঞ্জে সহিংসতা: স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে আদালতে সেই সৈকতবেলকুচিতে যমুনা নদী থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধারআবরার হত্যা : ২৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষভোলায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করল স্ত্রীপরীমণির রিমান্ড: ব্যাখ্যা দিতে এক সপ্তাহ সময় পেলেন ২ বিচারকরবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা, মহাসড়ক অবরোধশুধু ছাত্রলীগ নয়, অপরাধী যেই হোক বিচার হবে: আইনমন্ত্রীগ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসছে ‘ভন্ড কবিরাজ’ আহাদুরের অজানা কাহিনী

  • আজ রবিবার, ৮ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ২৪ অক্টোবর, ২০২১ ৷

শাহরুখপুত্রকে গ্রেপ্তার করা সমীরই এখন নজরদারিতে

ariyan n2
❏ বুধবার, অক্টোবর ১৩, ২০২১ বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক- বলিউড তারকাদের নিয়ে নিয়মিত চর্চা হয় সংবাদ মাধ্যমে। চর্চা হয় তাদের পরিবার নিয়েও। সাম্প্রতি সময়ে শাহরুখপুত্র আরিয়ান খানকে আটক করে আলোচনায় চলে এসেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর (এনসিবি) এই কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। শুধু আলোচনায় এসেছেন তা কিন্তু নয়,তার পেছনেও লাগানো হয়েছে গুপ্তচর।

বিশেষসূত্রের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, সমীরের অভিযোগ, কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই তাকে অনুসরণ করছে মুম্বাইয়ের ওশিয়ারা থানার পুলিশ। এ বিষয়ে অভিযোগও করেছেন সমীর ওয়াংখেড়ে। তাই বর্তমানে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত তিনি।

ফলে এনসিবির অনেকেই সমীরের পক্ষে ‘জেড প্লাস’ ক্যাটাগোরির নিরাপত্তা দাবি করেছেন। টুইটারেও অনেকে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর এই অফিসারকে দেশের সত্যিকারে নায়ক আখ্যা দিয়ে তার নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছে।

এনসিবির এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, ছয় বছর ধরে নিয়মিতই একটি সমাধিস্থলে যান সমীর ওয়াংখেড়ে। সেখানে তাঁর মায়ের মৃতদেহ সৎকার করা হয়েছিল। মূলত মাকে শ্রদ্ধা জানাতেই তিনি সেখানে যান। সমীর ওয়াংখেড়ের দাবি, সেখানে মুম্বাইয়ের ওশিয়ারা পুলিশ স্টেশনের দুই কর্মী তাঁকে অনুসরণ করেছেন। শুধু তা–ই নয়, সমীর সেখানে কী করেছেন, জানতে সিসিটিভি ফুটেজও দেখা হয়েছে।

গত ৯ মাস আগে এই এনসিবি কর্মকর্তার হাতেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী নবাব মালিকের মেয়ের জামাই সমীর খান। সেবারও মাদক নিয়েই চলে গ্রেপ্তারি। নবাব মালিক নিজেই পরে আরিয়ানের গ্রেপ্তারি বিষয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, মাদকসংক্রান্ত বিষয়ে মুম্বাইয়ে ধরা পড়ার পরও বিজেপি নেতার ঘনিষ্ঠ একজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। নবাব মালিকের দাবি, কর্ডেলিয়াতে যে তল্লাশি হবে, অনেক আগে থেকেই তা পরিকল্পিত। যদিও এনসিবির পক্ষ থেকে সব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়।

মালিকের অভিযোগের জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে বলেন, এনসিবি একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। বিজেপির সঙ্গে এর কোনো যোগাযোগ নেই। যখন এই প্রতিষ্ঠান কাজ করে, তখন রাজনৈতিক দলের প্রসঙ্গ টানা সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন ও অপ্রাসঙ্গিক। মালিক একেবারেই ভুল অভিযোগ করেছেন। এনসিবি ঠিকঠাকই তাদের কাজ করছে।

মালিক গত শনিবার অভিযোগ করেন, এনসিবির মুম্বাই ইউনিট জোনাল ডিরেক্টরের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক অটুট আছে। আমি মনে করি, সমীর ওয়াংখেড়ে ও বিজেপি নেতাদের মধ্যে কোনো কথাবার্তা হয়েছে।’ মালিক প্রশ্ন তোলেন, প্রমোদতরি থেকে ১১ জনকে আটকের পরে কার নির্দেশে তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হলো। মালিকের অভিযোগের জবাবে এনসিবি বলছে, সেকশন ৬৭ ধারায় সবাইকে আটক করা হয়েছে। তাদের সম্পূর্ণরূপে পরীক্ষা করা হয়েছে। সবার বিবৃতি রেকর্ড করা হয়েছে। যেহেতু তাদের অভিযুক্ত করার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই ওই তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন