• আজ সোমবার, ২১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

পরীমণির রিমান্ড: ব্যাখ্যা দিতে এক সপ্তাহ সময় পেলেন ২ বিচারক

pori n34n
❏ রবিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণির দফায় দফায় রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়ে দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৪ অক্টোবর) লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে ওই দিন লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেননি দুই বিচারক। ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার জন্য আরও এক সপ্তাহ সময় চান তারা।

রোববার সকালে দুই ম্যাজিস্ট্রেটের আইনজীবী তাদের পক্ষে এক সপ্তাহ সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এ এস এম আব্দুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাজী গোলাম মোস্তাফা ইতোমধ্যে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার জন্য দুই বিচারকের পক্ষে আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল এক সপ্তাহ সময় চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আদালতে দুই বিচারকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাদক মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমণিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করা দুই বিচারক ব্যাখ্যা দাখিল করেছিলেন। তবে তাতে সন্তুষ্ট হতে না পেরে গত ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে আবারও ব্যাখ্যা দিতে বলেন। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে (কাজী গোলাম মোস্তাফা) ধার্য তারিখের (২৪ অক্টোবর) মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল।

গত ৫ আগস্ট পরীমণি ও দীপুর চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ। দ্বিতীয় দফায় ১০ আগস্ট পরীমণি ও আশরাফুল ইসলাম দীপুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস। এরপর তৃতীয় দফায় গত ১৯ আগস্ট পরীমণির একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম।

গত ২৯ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের রায় না মেনে মাদক মামলায় গ্রেফতার চিত্রনায়িকা পরীমণিকে বারবার রিমান্ডে নেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের স্বপ্রণোদিত আদেশ প্রার্থনা করে একটি আবেদন জমা পড়ে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন এই আবেদন করেন। এর শুনানি নিয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর পরীমণিকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ড মঞ্জুরকারী বিচারকদের ব্যাখ্যা ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট।