• আজ বুধবার, ২৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৮ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে ফেনীর উপকূল জেলেপাড়ায়

Feni news
❏ সোমবার, অক্টোবর ২৫, ২০২১ চট্টগ্রাম

আবদুল্যাহ রিয়েল,ফেনী প্রতিনিধি: ইলিশের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাগর-নদীতে ইলিশ ধরার উপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হচ্ছে আজ মধ্যরাতে। দীর্ঘদিন অলস সময় কাটানোর পর প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসছে ফেনীর উপকূলীয় সোনাগাজীর জেলেপাড়ায়।

সাগর যাত্রার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে শতাধিক ট্রলার। প্রস্তুতির শেষ মুহুর্তে কেউ ব্যস্ত বাজার সওদা আর বরফ ভর্তি করায় কেউ ব্যস্ত জালের ছেড়া ও ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতে। এরআগে বড় ফেনী নদীতে আশানুরূপ ইলিশ না মিললেও এবার বেশি মাছ পাবেন বলে আশাবাদী জেলেরা।

গত ৩অক্টোবর থেকে সাগর ও নদ-নদীতে ইলিশ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। এসময় স্থানীয় কোন জেলে আইন অমান্য করে সাগর নদীতে মাছ ধরতে যায়নি বলে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে।

জগন্নাথ জলদাস, শংকর জলদাস, সুদাংসু জলদাস সহ বেশ কয়েকজন জেলের সাথে আলাপকালে জানা যায়, মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে সাগর ও নদ-নদীতে ইলিশ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা নদীতে অবৈধ ভাবে ইলিশ শিকার করেনি। এখানকার কমবেশি সব জেলেরাই ঋণগ্রস্থ হয়েছেন। দীর্ঘদিন যাবৎ মাছ ধরা বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাধারন জেলেরাও।

তারা আরও বলেন, স্বল্প সংখ্যক জেলে নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি সহায়তা পায়। কিন্তু ইলিশ জেলের পাশাপাশি সাধারন জেলেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাদেরকে কোনধরনের সহায়তা করা হয়না। এই কারণেই দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় তাদের।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তূর্য সাহা জানান, ২২দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে নিবন্ধিত ২৫০জন ইলিশ জেলের মাঝে ২০কেজি হারে চাল বিতরণ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কেউ জাল নিয়ে মাছ ধরতে নদীতে যায়নি।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় প্রায় ২হাজার জেলে রয়েছে। যারা নদীতে মাছ ধরে। কিন্তু নিবন্ধিত ইলিশ জেলেদের সহায়তা করার জন্য বরাদ্ধ আসে। সাধারন জেলেদের জন্য এ ধরনের কোন সহায়তার ব্যবস্থা নেই। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এবিষয়ে অবগত করেছি। বরাদ্ধ আসলে তাদেরও সহায়তা করা হবে।