🕓 সংবাদ শিরোনাম

শিশুকে ডায়াবিটিস থেকে দূরে রাখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেনদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে তৈরি থাকার বার্তা দিল ”হু”বুড়িগঙ্গায় ’সাকার ফিশ’র দখলে, হুমকিতে দেশীয় মাছরোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক-৫করতোয়ার তীরে নিথর পড়ে ছিলো মস্তকহীন নবজাতক!গাজীপুরে দুই শিশুকে ‘হত্যার’ পর ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা মা’য়ের!ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ: জাহাজ চলাচল বন্ধ; সহস্রাধিক পর্যটক আটকা সেন্টমার্টিনেআখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নীলফামারীর তিনদিন ব্যাপী ইজতেমাবঙ্গবন্ধুর শাসনব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর আহ্বানভোটে হেরে ক্ষোভ মেটাতে রাস্তায় বেড়া দিলেন প্রার্থী, ভোগান্তিতে পুরো গ্রাম!

  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

গুলিবিদ্ধ কক্সবাজার শ্রমিকলীগের সভাপতি জহির সিকদার মারা গেছেন

Cox's Bazar news
❏ রবিবার, নভেম্বর ৭, ২০২১ চট্টগ্রাম

শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার প্রতিনিধি: দুবৃর্ত্তদের গুলিতে, গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন কক্সবাজার জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার।

রোববার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালে থাকা জহিরুল ইসলামের স্বজন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক কফিল উদ্দিন রিপন।

এর আগে গত শুক্রবার (৫ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০ টার দিকে কক্সবাজারের প্রবেশমূখ লিংক রোডে দুর্বৃত্তের গুলিতে জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার ও তার ভাই ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সদস্য প্রার্থী বর্তমান মেম্বার কুদরত উল্লাহ সিকদারকে একদল দুর্বৃত্ত মোটর সাইকেল যোগে লিংক রোডস্থ কুদরত উল্লাহর অফিসের সামনে এসে অতর্কিত গুলি করে পালিয়ে যায়।

তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় জহিরুল ইসলাম ও কুদরত উল্লাহকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জহিরুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, লিংকরোডে কুদরত উল্লাহ তার ব্যক্তিগত অফিসে বসে জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ও তার বড় ভাই জহিরুল ইসলামসহ নেতাকর্মীদের সাথে নির্বাচনের বিষয়ে কথা বলছিলেন। এসময় মোটর সাইকেল নিয়ে একদল লোক এসে অফিসের ভেতরে গুলি করে পালিয়ে যায়। অপর সুত্র বলছে, দুর্বৃত্তরা সিএনজি অটোরিক্সা নিয়ে এসে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে গেছে।

আহতদের বরাত দিয়ে জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই ওয়ার্ডের অপর মেম্বার প্রার্থী লিয়াকত ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী মোটর সাইকেল নিয়ে এসে জহির ও কুদরতকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে কুদরত উল্লাহ হাতের একটি আঙ্গুল ছিড়ে গেছে। তার বুকে ও পেটে চারটি গুলির ক্ষত রয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তার অবস্থা আশংকাজনক। তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, লিংকরোড বনফুল রেষ্টুরেন্টের সামনে দুর্বৃত্তরা হঠাৎ এসে প্রথমে তাদের দুজনকে টার্গেট করে ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে আশপাশের সাধারন মানুষ সরে যায়। ঠিক তখন তাদের দুজনের গায়ে ৩ রাউন্ড গুলি করে দুর্বৃত্তরা। দু’রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, ভোটের আগে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনার আশঙ্কা করে কয়েকদিন আগে নির্বাচন কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন কুদরত উল্লাহ সিকদার। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী লিয়াকত আলীও এমন ঘটনার আশঙ্কা করে পাল্টা অভিযোগ দিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়া ভন্ডুল ও দুই প্রার্থীর মধ্যে বিরোধ লাগিয়ে দিতে তৃতীয় কোনো পক্ষ এ কাজ করেছে কিনা, তদন্তের দাবি করেছে।