• আজ সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৯ নভেম্বর, ২০২১ ৷

ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

Sports desk
❏ বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১১, ২০২১ খেলা

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- ম্যাচটা নাগালের বাইরেই চলে গিয়েছিল। ১৫ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১০৭। ইংল্যান্ডের ১৬৬ রানের সংগ্রহটাকে দূরেরই মনে হচ্ছিল তখন। উইকেটে তখনো ছিলেন ড্যারিল মিচেল। জিমি নিশাম এলেন। ঝড় তুললেন। সেই ঝড়েই ঘুরে দাঁড়াল নিউজিল্যান্ড। দূর দিগন্তে থাকা লক্ষ্যমাত্রাটা কাছে টেনে এনেই দারুণ এক জয় তুলে নিল কিউইরা। ৫ উইকেটে জিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড।

আজ বুধবার (১০ নভেম্বর) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে টস হেরে আগে করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৬ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন মঈন আলী।

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা সতর্কভাবেই করে ইংল্যান্ড। নিয়মিত ওপেনার রস টেইলর না থাকায় আজ ওপেনিংয়ের দায়িত্ব সামলান জস বাটলার ও জনি বেয়ারস্টো। পাওয়ার প্লেতে প্রথম তিন ওভারে দুজনে তোলেন ১৩ রান, পরের তিন ওভারে আসে ২৭ রান। মোট ছয় ওভারে আসে ৪০ রান।

কিন্তু দুই ওপেনার ভালো কিছুর আভাস দিয়েও টিকে থাকতে পারেননি। জুটিতে ভালো সাফল্য পায়নি ইংলিশরা। সাবধানী শুরুর পর দুজনেই ফিরেছেন সাজঘরে। সেট হয়ে টিকতে পারেননি একজনও।

ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে এসে নিউজিল্যান্ডকে প্রথম সাফল্য এনে দেন অ্যাডাম মিলনে। ডানহাতি পেসারের ফুলার লেন্থ বল মারতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন বেয়ারস্টো। সেখানে থাকা উইলিয়ামসন দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে বিদায় করেন ইংলিশ তারকাকে। ১৭ বলে ১৩ রান করে ফেরেন বেয়ারস্টো।

বেয়ারস্টোর পর বেশিক্ষণ টিকলেন না বাটলারও। ইশ শোধির বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে এলবির ফাঁদে পড়ে যান তিনি। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষাও হলো না। ২৪ বলে ২৯ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন বাটলার।

দুই ওপেনারকে হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েন মঈন আলী ও ডেভিড মালান। এই জুটিতে স্কোরবোর্ডে ৬৩ রান তোলে ইংল্যান্ড। ১৬তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন টিম সাউদি। চার বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৩০ বলে ৪১ করে ফেরেন মালান। তারপর উইকেটে এসে ফিরে যান লিয়াম লিভিংস্টোনও।

তবে মালান-লিয়াম ফিরলেও টিকে ছিলেন মঈন। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে টেনে নেন তিনি। শেষ ওভারে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৬ বলে তুলে নেন ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি। তাঁর ব্যাটে চড়েই শেষ পর্যন্ত ১৬৬ রানের পুঁজি পায় ইংলিশ। ইনিংস শেষে ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন মঈন। ৩৭ বলে তাঁর ইনিংসে ছিল তিন বাউন্ডারি ও দুই ছক্কা।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল হাতে ২৪ রান দিয়ে এক উইকেট নেন সাউদি। ৩২ রান খরচায় সমান একটি নেন ইশ শোধি। ৩১ রান দিয়ে অ্যাডাম মিলনেও নেন একটি।