• আজ রবিবার, ১৩ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২৮ নভেম্বর, ২০২১ ৷

মিরপুরে জাতীয় পতাকা টানিয়ে কেন অনুশীলনে পাকিস্তানিরা?

pakistan 2m
❏ মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৬, ২০২১ খেলা

স্পোর্টস আপডেট ডেস্ক- ৫ বছর পর ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ১৯ নভেম্বর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে মাঠে গড়াবে দুই দলের লড়াই। এই লড়াই শুরুর আগে আরেকটি ইস্যু নিয়ে কথার লড়াই চলছে। সোমবার মিরপুরের একাডেমিতে পাকিস্তান দল নিজেদের জাতীয় পতাকা টানিয়ে অনুশীলন করেছে।

সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি ভাইরাল হওয়ার পরই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশে পতাকা দোলানোর নিয়ম-নীতি থাকলেও অনুশীলনের সময় সরাসরি মাটিতে পাকিস্তানের পতাকা গাঁথাকে অনুচিত মনে করছেন অনেকে।

সোমবার সকাল দশটায় মিরপুরের একাডেমিতে পা রাখে পাকিস্তান দল। টানা বৃষ্টির পর হালকা শীত। শুরুতে ওয়ার্মআপে নেমে পড়েন হাসান আলি-শাহিন আফ্রিদিরা। এরপর ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে ফিল্ডিং অনুশীলন করেন। চলে লং ফিল্ডিংও। অনুশীলনের মাঝেই একাডেমির নেটের বামপাশে দুটি পতাকা নিয়ে হাজির হন পাকিস্তানের কোচিং স্টাফ। দুই নেটের দুই পাশে দুটো পতাকা গেঁড়ে অনুশীলন শুরু করেন তারা। বাংলাদেশে আগে কখনও কোনও সফরকারী দল এভাবে নিজ দেশের পতাকা টানিয়ে অনুশীলন করেনি। এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

পাকিস্তান শিবিরের কারও সঙ্গে কথা বলার সুযোগ না থাকায়, কেন এভাবে পতাকা টানানো হলো সেই প্রশ্নের উত্তর জানা যায়নি। তবে পাকিস্তানের প্রধান কোচ সাকলাইন মোস্তাক দায়িত্ব নেওয়ার পরই শিষ্যদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে অনুশীলনে পতাকা রেখে আসছেন বলে জানা গেছে। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এমনটা দেখা গেছে। এমনকি গত কয়েক বছরে পাকিস্তান যতগুলো বিদেশ সফর করেছে, সেখানেও দেখা গেছে এমন দৃশ্য।

বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অনুশীলনে পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং মোহাম্মদ রিজওয়ানকে দেখা যায় পাকিস্তানের দুটি পতাকা কাঁধে করে নিয়ে আসতে। এরপর পতাকা দুটি অনুশীলনের মূল এলাকার পাশে পুঁতে খেলোয়াড়রা সেরেছিলেন প্রস্তুতি। মিরপুরের একাডেমিতে তেমনটাই হয়েছে। শুধু যে নেটের পাশে ছিল তা নয়, মাঠের যে প্রান্তেই ক্রিকেটাররা অনুশীলন করেছেন, সেখানেই চলে গেছে পাকিস্তানের পতাকা।

এ ব্যাপারে সাকলাইন মুশতাক একটি ইন্টারভিউতে বলেছিলেন, ‘এই দল পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করছে। দেখেই মনে হচ্ছে দেশের ২২ কোটি লোক এক হয়ে আমাদের জন্যে গলা ফাটাচ্ছে।’