🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

একসাথে রহস্যজনক ‘উধাও’ তিনকিশোরী! নেপথ্যে ‘টিকটক আসক্তি’!

টিকটক আসক্তি
❏ শুক্রবার, নভেম্বর ১৯, ২০২১ দেশের খবর

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকাঃ রাজধানীর আদাবর এলাকায় খালার বাসা থেকে ‘রহস্যজনকভাবে উধাও’ হয়েছেন ‘টিকটকে আসক্ত’ তিন কিশোরী।

নিখোঁজ তিন কিশোরী সম্পর্কে আপন বোন। এদের মধ্যে দুইবোন এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী।নিখোঁজ বড় বোন একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রোকেয়া (১৮), মেজো বোন জয়নব আরা (১৭) ও ছোট বোন খাদিজা আরা (১৬)।

ঘটনার প্রাথমিক বিবরনীতে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে আদাবরের শেখের টেকে খালার বাসা থেকে আকস্মিক কাউকে কোনকিছু না জানিয়ে তারা তিনজন স্বাভাবিকভাবেই বের হয়ে যায় বাড়ি থেকে।

বৃহস্পতিবার রাতে আদাবর থানায় এ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে।

দিনভর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ এবং যোগাযোগের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে আদাবর থানায় এ সংক্রান্ত একটি সাধারণ ডায়েরি (ডিডি) করেছেন নিখোঁজ তিনবোনের খালা সাজেদা নওরীন।

ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে তার ধারণা, এই তিনবোন টিকটকে আসক্ত থাকায় কোনো চক্রের প্ররোচনায় বাসা থেকে বের হতে পারে।

সাজেদা নওরীন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার বড় বোন তিন বছর আগে মারা যায় । এরপর দুলাভাই অন্য জায়গায় বিয়ে করেছেন। তিনি সন্তানদের খোঁজ রাখেননা। এমন অবস্থায় আমার ছোট বোনের বাসা খিলগাঁওয়ে থাকতো নিখোঁজ তিনবোন।

ধানমন্ডি গার্লস হাই স্কুলে জয়নব আরা এবং খাদিজা আরার পরীক্ষার সেন্টার ছিল। সেকারণে আদাবরে আমার কাছে নিয়ে আসি। একটি পরীক্ষা হয়েছে। দুটি পরীক্ষা বাকি অছে। এর মধ্যেই তারা হঠাৎ বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে বেরিয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, তার তিন ভাগ্নি মারাত্মক রকমভাবে টিকটকে আসক্ত ছিল।বয়স কম হওয়ায় তাদের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে নিষেধ করতাম। তারা যেন নিরাপদে ফিরে আসে এটাই আমার চাওয়া।

টিকটক-এর মাধ্যমে কারো প্ররোচনায় তারা বাসা থেকে বের পতে পারে বলে ধারণা করেন তিনি। তারা যাবার সময় তাদের বই-খাতা, পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড রেজিস্ট্রেশন ফর্মসহ সবকিছু নিয়ে গেছে বলেও জানান সাজেদা নওরীন ।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে, আদাবর থানা উপ-পরিদর্শক আব্দুল মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে আমরা দেখতে পেয়েছি। তারা নিজ ইচ্ছায় নিজেদের ব্যাগ নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছে। আমরা তাদের অবস্থান শনাক্তের বিষয়ে কাজ করছি। ’