🕓 সংবাদ শিরোনাম

ফিরে দেখা, ১৯৭১- ‘মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে’দু’সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের কোভিড টিকাকরণ, সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নেবাড়িতে লুকিয়ে রাখা ৪৭ ভরি স্বর্ণসহ তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ আটকফিরে দেখা; ইতিহাসে আজকে এই দিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহশীতে অপরূপ লাল শাপলার ডিবির হাওরময়মনসিংহ শহরের ভেতরেই রেলক্রসিং: প্রতিদিন ৮ ঘন্টা যানজটবিজয়ের ৫০ বছরে ওয়ালটন ল্যাপটপ ও এক্সেসরিজে ৫০% পর্যন্ত ছাড়মাইকিং করে ২গরু জবাই করল পরাজিত প্রার্থী, দাওয়াতে এলো না কেউ!সুনামগঞ্জে আফ্রিকা ফেরত প্রবাসীর বাড়িতে লাল পতাকাতদন্ত কর্মকর্তাসহ ৬৫ জনের সাক্ষ্য-জেরায় সাক্ষ্যপর্ব সমাপ্ত

  • আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ২ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

শিক্ষার্থীকে জুতা মুখে দিয়ে শাস্তির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে


❏ রবিবার, নভেম্বর ২১, ২০২১ বরিশাল

এস আই মুকুল, নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষে জুতা কামড় দিয়ে কান ধরে ওঠবস করিয়ে শাস্তি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পলাশ চন্দ্র দাস নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গত ৮ নভেম্বর চরফ্যাশন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পলাশ চন্দ্র দাস ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা এ ঘটনার বিচার দাবি করে গত রোববার (১৪ নভেম্বর) চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগটি তদন্তের জন্য সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

শনিবার (২০ নভেম্বর) বিকালে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল নোমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করেন, তার ছেলে চরফ্যাশন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। গত ৮ নভেম্বর সহপাঠীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হলে সহপাঠীরা ক্লাস শিক্ষক পলাশ চন্দ্র দাসের কাছে অভিযোগ করে। শিক্ষক পলাশ চন্দ্র দাস তাকে শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে শাস্তি হিসেবে কান ধরে ওঠবস করান এবং জুতা মুখে কামড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকার শাস্তির নির্দেশ দেন। শিক্ষকের ওই নির্দেশ পালনে দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী রাজি না হলে শিক্ষক চাপ প্রয়োগ করে তাকে জুতা কামড় দিয়ে মুখে তুলে নিতে বাধ্য করেন।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা বিষয়টি প্রধান শিক্ষক নিজাম উদ্দিনকে জানান এবং সুরাহার জন্য ৭ দিন অপেক্ষা করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নিজাম উদ্দিন কোনো সুরাহা না করায় ঘটনার ৭ দিন পর গত ১৪ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাশ চন্দ্র দাস জানান, দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে কথা কাটাকাটির বিষয়টি তাকে জানানোর পর তিনি বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছেন। কান ধরে ওঠবস করানো কিংবা জুতা কামড়ে শাস্তি দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক বিষয়টি আমাকে ফোনে জানালে তাকে বিদ্যালয়ে আসতে বলেছি। কিন্তু তিনি আসেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল নোমান জানান, শিক্ষার্থীর অভিভাবকের দেয়া অভিযোগটি তদন্তের জন্য সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ইউএনও স্যার কর্তৃক আমাকে অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।