🕓 সংবাদ শিরোনাম

শিশুকে ডায়াবিটিস থেকে দূরে রাখতে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেনদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে তৈরি থাকার বার্তা দিল ”হু”বুড়িগঙ্গায় ’সাকার ফিশ’র দখলে, হুমকিতে দেশীয় মাছরোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে ধারালো অস্ত্রসহ আটক-৫করতোয়ার তীরে নিথর পড়ে ছিলো মস্তকহীন নবজাতক!গাজীপুরে দুই শিশুকে ‘হত্যার’ পর ফ্যানে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা মা’য়ের!ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ: জাহাজ চলাচল বন্ধ; সহস্রাধিক পর্যটক আটকা সেন্টমার্টিনেআখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নীলফামারীর তিনদিন ব্যাপী ইজতেমাবঙ্গবন্ধুর শাসনব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর আহ্বানভোটে হেরে ক্ষোভ মেটাতে রাস্তায় বেড়া দিলেন প্রার্থী, ভোগান্তিতে পুরো গ্রাম!

  • আজ রবিবার, ২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

ভাইকে জেল থেকে মুক্ত করতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে বোন

Cox's Bazar news
❏ মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৩, ২০২১ চট্টগ্রাম

শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কারাগার পরিদর্শনে গেছেন। তিনি লটারির মাধ্যমে জেলে বন্দি থাকা কিছু কয়েদিকে মুক্তির সুযোগ করে দেবেন। আর এ সুযোগের জন্য গুণতে হবে ৮৫ হাজার টাকা। এমন লোভনীয় কথার ফাঁদে পড়েছেন এক কয়েদির পরিবার। প্রতারক চক্রের দেওয়া বিকাশ নম্বরে পাঠিয়েছেন সেই টাকাও। এরপর থেকে বন্ধ প্রতারক চক্রের মোবাইল নম্বর।

অভিনব এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের বাসিন্দা নিলুফা সুলাতানা। বর্তমানে তিনি স্বামী সোলতান মো. বাবুলসহ পরিবার নিয়ে কলাতলী সী প্যালেসের বিপরীতে বেভিউ সড়কে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগী নিলুফা সুলতানা জানান, তার ছোট ভাই মো. পারভেজ একটি মামলায় দীর্ঘ ১১ মাস ধরে কক্সবাজার জেলা কারাগারে আছেন। গত ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে হঠাৎ তার মায়ের মোবাইল ফোনে ০১৩২৩—৯৩৫৬৬৪ নম্বর থেকে একটি কল আসে। জানানো হয়- লটারির মাধ্যমে কয়েকজন কয়েদিকে জেলা প্রশাসক কারাগার থেকে মুক্ত করবেন। এজন্য দিতে হবে ৮৫ হাজার টাকা। টাকা দিলেই পারভেজকে সঙ্গে সঙ্গে কারাগার থেকে বের করা হবে।

এমন আশ্বাসে সরল বিশ্বাসে বিকাশ এজেন্ট থেকে প্রতারক চক্রের ০১৩২৩-৯৩৫৬৬৪ নম্বরে ২৫ হাজার টাকা, ০১৮৮৯-৬৮০৩২১ নম্বরে ৩৫ হাজার টাকা এবং ০১৭৯৫-০৭৬৮৯৬ নম্বরে ২৫ হাজার টাকাসহ মোট ৮৫ হাজার পাঠানো হয়। কিন্তু টাকা দেওয়ার পর সব মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দেওয়া হয়।

প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ দেন নিলুফা সুলতানা।

যোগাযোগ করা হলে কক্সবাজার সদর মডেল থানার এএসআই শাহনুর আলম বলেন, প্রতারণার একটি অভিযোগ পেয়েছি। প্রতারক চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হবে।