🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ ৷ ৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ৷

মানিকগঞ্জে ইউপি নির্বাচন ঘিরে ভোটের মাঠে উত্তাপ

manikgonj n2
❏ বুধবার, নভেম্বর ২৪, ২০২১ ঢাকা, দেশের খবর

দেওয়ান আবুল বাশার, মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে ভোটের মাঠে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী, বিদ্রোহী প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তারা একে অপরের প্রতি অভিযোগ ছড়াচ্ছে ভোটের মাঠে। কোথাও কোথাও নির্বাচনি ক্যাম্পে আগুন ও ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্বে।

৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে প্রার্থীরা। এর আগে দুই ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কোন প্রার্থী না থাকায় ওই দুই ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যে ৭টি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে ১১ জন বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন করছেন। ১টিতে বিএনপির দুই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন।

গত ২২ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ১১ জন বিদ্রোহী প্রাথীকে দল থেকে বহিস্কার করা হলে ওই দিন রাতে আটিগ্রাম ইউনিয়নে নৌকা দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দেয় দূবৃত্তরা এবং নবগ্রাম ইউনিয়নে নৌকা দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করার অভিযোগ রয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে। অপরদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের অভিযোগ তাদের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি এবং পোস্টার লাগাতে দেওয়া হচ্ছে না।

আটিগ্রাম ইউনিয়নের দলীয় প্রার্থী নুরে আলম সরকার বলেন, গত ২২ নভেম্বর দলীয় বর্ধিত সভায় বিদ্রোহী প্রার্থী বহিস্কার করা হলে সেদিন রাতে আমার জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে রাতের আধারে আমার নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন লাগানো হয়েছে। আমি আশা রাখি যত ষড়যন্ত্রই করা হোক আমি ভোটের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করব।

নবগ্রাম ইউনিয়নের নৌকা দলীয় প্রার্থী গাজী হাসান আল মেহেদী সুহাস বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে আমরা মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা আমার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর ও আমার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলছে। আমি আশা রাখি সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে ২৮ তারিখ জনগণ ভোটের মাধ্যমে আমাকে বিজয়ী করবে।

পুটাইল ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল জলিল মোল্লা বলেন, আমার কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং সারা ইউনিয়নে আমার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এবং আমি অনেক কেন্দ্রে প্রচার প্রচারণা চালাতে বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছি।

বেতিলা মিতরা ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী এ্যাড. ফারুক আহমেদ ফিলিপ বলেন, এখন পর্যন্ত আমি কোনো হুমকি পাইনি। তবে ভোট কেন্দ্র দখল করার হুমকি দেয়া হচ্ছে ,এ কারণে জনগণ আতঙ্কিত রয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ হাবিবুর রহমান, আমরা বেশ কিছু প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েছি। নির্বাচনী আচরণবিধি বজায় রাখতে মাঠে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছে। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে আমাদের সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আশারাখি তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না।