🕓 সংবাদ শিরোনাম

আমাদের যা আছে, তা দিয়েই সামনে এগিয়ে যাব: প্রধানমন্ত্রীএসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েও অর্থের অভাবে উচ্চ শিক্ষা অনিশ্চিত শুভ’রমহামারি এখনই শেষ হচ্ছে না, সৃষ্টি হতে পারে নতুন ভ্যারিয়েন্ট: টেড্রোসখাগড়াছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২নৌকা থেকে লাফিয়ে পালালো পাচারকারী, বিপুল আইস-ইয়াবা উদ্ধারশাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ শিক্ষার্থীদেরমালয়েশিয়ায় প্রতারণার অভিযোগে নাবিস্কো ভাইয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনবিএনপি বহিষ্কার করলেও অন্য দলে যোগ দেব না: তৈমূরগ্লাস সুমনের মাদক কারবারের প্রধান সহযোগী গ্রেফতারমনোহরদীর দরগাহ মেলা শুরু, নজর কাড়ছে বড় মাছের বাজার

  • আজ বুধবার, ৫ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

সব কেন্দ্র মিলিয়ে নৌকার প্রার্থী পেলেন ৯৯ ভোট!

rekha n2
❏ সোমবার, নভেম্বর ২৯, ২০২১ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

শাহীন মাহমুদ রাসেল, কক্সবাজার প্রতিনিধি: অনুষ্ঠিতব্য ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কয়েক দফায় নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের জয়জয়কার দেখা গেলেও এবার কক্সবাজারের কিছু এলাকায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের ভরাডুবিসহ রেকর্ড সংখ্যক সর্বনিম্ন ভোটে পরাজয়ের নজির স্থাপন করেছে।

এসব প্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুধু জামানত বায়েজাপ্তই নয়; প্রার্থীতায় শর্ত পুরণেও দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। পায়নি নুন্যতম ১ শত ভোটও। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও কটূক্তিমুলক হাস্যরস।

কক্সবাজারের চকরিয়া কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মাত্র ৯৯ ভোট পেয়েছেন আওয়ামী লীগের (নৌকা) চেয়ারম্যান প্রার্থী জন্নাতুল বকেয়া রেখা।

রোববার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ পাননি জান্নাতল বকেয়া। ফলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত করেছে নির্বাচন অফিস।

রিটার্নিং কর্মকর্তার মতে, চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউপিতে ভোট পড়েছে ৯ হাজার ৯৯৮ টি। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জান্নাতুল বকেয়া পেয়েছেন ৯৯ ভোট।

কক্সবাজারে ১৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে ১৫ টির বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যালট পেপার ছিনতাই ও ব্যালটবক্স ভাঙচুরের কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয় বারবাকিয়া ইউনিয়নে।

কক্সবাজার ইউপি নির্বাচনে ৬টিতে আওয়ামী লীগ ও ৯ টিতে দলটির বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, কোনো একজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের চেয়ে কম ভোট পেয়েছেন, তাহলে ওই প্রার্থীর জামানতের টাকা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে। আমরা এখনো এ বিষয়ে কাজ শুরু করিনি।

প্রার্থীরা যখন আবেদন করবে তখন আমরা খতিয়ে দেখব কে জামানত পাওয়ার যোগ্য, আর কে যোগ্য নয়। যোগ্য হলে জামানত ফেরত পাবেন, আর যোগ্য না হলে জামানতের টাকা সরকারি কোষাগার জমা হবে বলে জানান তিনি।