• আজ সোমবার, ১০ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৪ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

শিক্ষার্থীরা গাড়ি আটকে দেওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন ​তৌসিফ মাহবুব

tousif f n3
❏ বুধবার, ডিসেম্বর ১, ২০২১ বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক- কিছুদিন ধরেই বাসে অর্ধেক ভাড়া (হাফ পাস) ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছে। এরমধ্যে সম্প্রতি রাজধানীতে পরপর গাড়ি চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ায় আন্দোলন জোরালো হয়েছে।

শহরের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনরত এ শিক্ষার্থীরা রাস্তায় জনসাধারণ থেকে শুরু করে সবার গাড়ির লাইসেন্স চেক করছে। ফিটনেসবিহীন পরিবহন পেলেই তাদের গাড়ি আটকে দিচ্ছে।

এমতাবস্থায় মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের একটু সামনে অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের গাড়ি আটকে দেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা তৌসিফ ও তার ড্রাইভারের কাছে গাড়ির লাইসেন্স দেখতে চান। একপর্যায়ে তৌসিফের সঙ্গেও বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়।

ইতিমধ্যে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় জড়ানোর কারণে অনেকেই তৌসিফের সমালোচনা করে বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।

অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিলাম, এখনো আছি। ২০১৮ সালে যখন শিক্ষার্থীরা রাস্তায় আন্দোলনে নেমেছিলেন তখন আমিও তাদের পাশে ছিলাম, তাদের সঙ্গে রাস্তায় নেমেছিলাম। তখনকার আন্দোলনটা বেশ শান্তিপূর্ণ ছিল। কিন্ত এবার মনে হয়েছে তারা একটু বেশিই উত্তেজিত! তারা আমার সঙ্গে যা করেছে তা খুব কষ্ট দিয়েছে আমাকে।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তৌসিফ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেখানে আন্দোলন করছে তার অপর পাশের ফাঁকা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম আমি। প্রথমে দুই-তিনজন ছেলে এসে আমার গাড়ি আটকে দেয়। কয়েকজন ছেলে আমার গাড়ির পেছন দিকে লাঠি দিয়ে ভাঙচুর করার চেষ্টা করে। এতেই মূলত আমার রাগ হয়। আমার গাড়ির লাইসেন্স দেখাতে চাইলে সেটা দেখাই কিন্তু তারপরেও তারা গাড়ি নিয়ে যেতে দেবে না।’

‘আমি তাদের বললাম, গাড়িতে আমার অসুস্থ মা আছে, মাকে বাসায় রেখে আমাকে শুটিংয়ে যেতে হবে; কিন্তু তারপরও তারা কথা শুনছিল না। পরে বাক-বিতণ্ডার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে গাড়ি থেকে নেমে তাদের সবার সঙ্গে কথা বলি, এসময় সবাই আমার সঙ্গে ছবিও তুলে। এরপর আমাকে যেতে দিয়েছে।’

‘এখন আমার কথা হলো, যেখানে আন্দোলন করলে বা কথা বললে কাজ হবে সেখানে কথা বলতে হবে। তা না করে এখনকার শিক্ষার্থীরা যদি এমন আচরণ করে, এটা তো ঠিক না। আমার মতে তারা ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে। তাদের আরও সতর্ক হতে হবে। উচ্ছৃঙ্খল হলে তো হবে না।