• আজ বুধবার, ৫ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

আমিনবাজারে ৬ ছাত্র হত্যা: ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১৯

atok n234
❏ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- শবে বরাতের রাতে সাভারের আমিনবাজারে ৬ ছাত্রকে ডাকাত সাজিয়ে পিটিয়ে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মালেকসহ ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অন্য আসামিদের মধ্যে ১৯ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহানের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।

মামলার ৫৭ আসামির মধ্যে ৪৪ জনকে সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। সেখান থেকে বেলা ১১টার পর এজলাসে তোলা হয়।

মামলার মোট আসামি ৬০ জনের মধ্যে ইতোমধ্যে তিনজন মারা গেছেন। অবশিষ্ট ৫৭ জনের মধ্যে ৪৫ জন ছিলেন হাজতে এবং পলাতক রয়েছেন ১২ জন।

এর আগে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত গত ২২ নভেম্বর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে আমিনবাজারের বড়দেশি গ্রামের কেবলার চরে ডাকাত সন্দেহে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

নিহতরা হলেন- ম্যাপললিফের এ লেভেলের ছাত্র শামস রহিম শামীম, মিরপুর বাঙলা কলেজের ছাত্র তৌহিদুর রহমান পলাশ, ইব্রাহিম খলিল, কামরুজ্জামান কান্ত, তেজগাঁও কলেজের ছাত্র টিপু সুলতান, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) বিবিএর ছাত্র সিতাব জাবির মুনিব।

ঘটনার পর নিহতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ এনে গ্রামবাসীর পক্ষে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন বালু ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক। তদন্তে ডাকাতির মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং ছয় ছাত্রকে হত্যার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে সাভার থানায় একটি মামলা করে।

পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ১৩ জানুয়ারি র‌্যাব ৬০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে একটি অভিযোগপত্র জমা দেয়। অভিযোগপত্রে সাক্ষী করা হয় ৯২ জনকে।