• আজ সোমবার, ১০ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৪ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

ফের এক ঘৃণ্য ঘটনার সাক্ষী হল ভারতের উত্তরপ্রদেশ!

শিক্ষক
❏ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২১ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ আবারো যৌন নিপীড়ন নিয়ে এক ঘৃণ্য ঘটনার সাক্ষী হল ভারতের উত্তরপ্রদেশ।  মুজফফরনগরে নেশার ওষুধ খাইয়ে দশম শ্রেণির ১৭ জন ছাত্রীকে রাতভর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে  স্কুলেরই এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে !

ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষক ও স্কুলের মালিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। একজন শিক্ষক কী করে এমন কাজ করতে পারলেন ভেবে পাচ্ছেন না এলাকার বাসিন্দারা।

ঠিক কী হয়েছিল? ভারতের আনন্দবাজারে প্রকাশিত সংবাদ সুত্রে জানা গিয়েছে, যোগীরাজ্যের মুজফ্ফরনগরের একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ঘটনা এটি । CBSE প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষার অজুহাত দেখিয়ে পুরকাজি এলাকার ওই ছাত্রীদের রাতে স্কুলে ডেকে পাঠান অভিযুক্ত শিক্ষক। ছাত্রীদের রাতে স্কুলেই থাকতে বলেন তিনি।

অভিযোগের সুত্রে,  ১৭ জন একসাথে ছিলো তাই  কেও ঘুর্নাক্ষরেও ভাবেননি কোন অশনি সংকেত অপেক্ষা করছে তাদের জন্য। পরে তাদের সকলকে রাতের খাবার দেওয়া হয়। তাতে নেশাদ্রব্য অথবা অচেতন করার ঔষধ মেশানো ছিল।

খাবার খেয়ে ওই ছাত্রীরা অচেতন হয়ে পড়লে তাদের যৌন হেনস্তা করেন অভিযুক্ত। পরের দিন সকালে তারা বাড়ি ফেরে।

অভিযোগের সুত্রে ঘটনার শিকার ছাত্রীদের দাবী, সেই সময় সকলকে হুমকি দেন ওই শিক্ষক। বলা হয়, মুখ খুললে তাদের পরিবারের সদস্যদের খুন করা হবে। জানা গিয়েছে, ঘটনার শিকার সকলেই গরিব পরিবারের সন্তান।

ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৭ নভেম্বর। শিক্ষকের হুমকি পেয়ে ভয়ে এতদিন চুপ করেছিল ওই ছাত্রীরা ও তাদের পরিবার। তবে শেষ পর্যন্ত দুই ছাত্রীর পরিবার দ্বারস্থ হয় এলাকার বিধায়ক প্রমোদ আটওয়ালের।

তিনিই পুলিশের সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্ট অভিষেক যাদবকে বিষয়টি জানান। এরপরই দায়ের হয় এফআইআর।

ছাত্রীদের পরিবারগুলোর দাবি, প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি পুলিশ। পরে বিধায়কের হস্তক্ষেপেই অভিযোগ দায়ের করা হয়। যদিও এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এছাড়াও অভিযোগ, পুরকাজি থানার হাউস অফিসার বিনোদকুমার সিংয়ের দ্বারস্থ হয়েছিল ছাত্রীদের পরিবার। কিন্তু তিনি বিষয়টিকে পাত্তাই দিতে চাননি। ওই অফিসারের বিরুদ্ধেও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।