• আজ মঙ্গলবার, ৪ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

মিনিকেট, নাজিরশাইল নামে কোনো ধান নেই: খাদ্যমন্ত্রী

sadhon
❏ সোমবার, ডিসেম্বর ২০, ২০২১ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- মিনিকেট আর নাজিরশাইল নামে কোনো ধান নেই বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। অন্যান্য জাতের ধানকে এসব ধানের চাল বলে বিক্রি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। ইন্টারন্যাশনাল নিউট্রিশন অলিম্পিয়াড উপলক্ষে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, মিনিকেট নামে ধান নেই। যে সরু চাল খাওয়া হচ্ছে তার মধ্যে জিরাশাইল ও শম্পা কাটারিই বেশি। এমনকি নাজিরশাইল নামেও কোনো ধান নেই। ব্র্যান্ড তারা মিনিকেট বলে চালাচ্ছে। ২৮-কেও মিনিকেট বলে চালায়, ২৯-কেও মিনিকেট বলে চালায়, আর আমরাও (জনগণ) মিনিকেটই খুঁজি।

এ সময় সবাইকে সাদা স্বচ্ছ চালের পরিবর্তে লাল চাল খাওয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগে ঢেঁকিছাটা চাল খেতাম, সেখানে চালের লাল অংশটা পাওয়া যেত। এখন অনেকে সেই চাল খুঁজে বেড়াচ্ছেন। লাল চাল খাওয়ার অভ্যাস হলে মিলার ও ভোক্তার খরচ বাঁচে। চকচকে চাল করতে তিনটি ছাঁট দেওয়ার পর পলিশ করতে হয়। ফলে চালে আর পুষ্টি থাকে না।’

খাদ্য সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম জানান, ব্যবসায়ীরা মিনিকেট ব্র্যান্ড নামে চাল বিক্রি করতে পারবেন। তবে কোন জাতের চাল ওই নামে বিক্রি করা হচ্ছে তা বস্তায় লিখে দিতে হবে। খাদ্য মন্ত্রণালয় এমন নিয়ম করতে যাচ্ছে।

বার বার পলিশ করার ফলে কোন ধান থেকে চাল তৈরি করা হয়েছে তার আর চেনা যায় না জানিয়ে খাদ্যসচিব বলেন, আমরা চিন্তা করছি ধানের নাম যদি তারা বস্তায় লিখে দেয় তাহলে বোঝা যাবে সেটি কোন ধানের চাল।

‘মিনিকেট চালে স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই, পুষ্টি উপাদান চলে যাচ্ছে। কারণ যেখানে ধানের ৮ শতাংশ পর্যন্ত ছাঁটাই করা যায় সেখানে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাঁটাই করা হচ্ছে। ছাঁটাই নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।’