• আজ শুক্রবার, ৭ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২১ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

আকস্মিক অস্ত্রের আঘাতে নিহত স্কুলছাত্র! নেপথ্যের কারন জানেনা পরিবার!

অস্ত্রের আঘাতে নিহত
❏ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২১ চট্টগ্রাম, দেশের খবর

ওয়াজ মাহফিলে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে নিহত স্কুল শিক্ষার্থী

কুমিল্লা: কুমিল্লায় স্থানীয় সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইফতেখার হাসান ইমন (১৮) নামের এক শিক্ষার্থী খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় সেখানে আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হয়। তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।

গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় দাউদকান্দি উপজেলার মালাখালা বাজারে একটি ওয়াজ মাহফিলের পাশে এই ঘটনা ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃতের মা মাফিয়া বেগম ছেলের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ফলে সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যে অবতারনা হয়।

নিহতের পরিবার জানায়, বাসা থেকে বিকেলে মালাখালা বাজারে ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছিলেন ইফতেখার হাসান ইমন। সেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. নাসিরের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র ও দা দিয়ে অতর্কিতে ইমনের পিঠে ও বাঁ হাতে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ৮টায় তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ইমন মারা যান।

ফুচকা খেতে গিয়ে বাকবিতণ্ডায় প্রাণ গেলো স্কুলছাত্রের !

ঠিক কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা জানাতে পারেননি নিহতের পরিবার ।
তবে প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে দাউদকান্দি থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, “ স্থানীয় ওয়াজ মাহফিলের পাশে একটি ফুচকার দোকানে ফুচকা খেতে গিয়ে ইমনের সঙ্গে সেখানে অবস্থানরত এক ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি ইমনকে ছুরি মেরে বসেন।”

হামলাকারী লোকটিকে শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশের কয়েকটি দল তাকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে কাজ চালাচ্ছে বলে ওসি জানান।

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পিপিয়াকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিনের ছেলে ইমন। দুই বোন, এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল দ্বিতীয়।এ বছর তিনি স্থানীয় বরকটা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলেন।