• আজ সোমবার, ১০ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৪ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

নারী পর্যটককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ :সিসিটিভির ফুটেজ উদ্ধার

নারী পর্যটককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
❏ শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা: কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় একটি হোটেলের ম্যানেজারকে আটকের কথা জানিয়েছে র‍্যাব। এ ঘটনায় ২৩ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) একটি সিসিটিভির ফুটেজ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে র‍্যাব-১৫-এর কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দিনগত রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামের হোটেলে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে রাজধানী ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক নারী। সুরক্ষিত লাবনী পয়েন্টে স্বামী ও ৮ মাসের সন্তানসহ বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। সুরক্ষিত সৈকতে এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) হোটেলের ক্লোজড সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এ ঘটনায় দুজনকে শনাক্ত করার কথা জানায় র‍্যাব। র‍্যাবের দেয়া তথ্যমতে , ওই দুই যুবক হলেন কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া এলাকার আশিকুল ইসলাম ও আব্দুল জব্বার জয়া। আরেকজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

ওই এ ঘটনার পর জিয়া গেস্ট ইনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে র‍্যাব। এতে দেখা যায়, তিন যুবক অটোরিকশায় এক নারীকে নিয়ে আসেন। দুজন ওই নারীর সঙ্গে থাকেন। আরেকজন হোটেলের রুম বুকিং দেন। সে সময় রিসিপশনে হোটেলের ব্যবস্থাপক ছোটন ছিলেন। এরপর তিন যুবক ওই নারীকে নিয়ে ওপরে চলে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে যুবকরা বেরিয়ে গেলেও ওই নারীকে নামতে দেখা যায়নি।

র‍্যাব জানায়, এই ফুটেজ থেকে দুজনকে শনাক্তের পর ওই নারীকে তাদের ছবি দেখানো হয়। তিনি তাদের চিনতে পেরেছেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার এক কর্মকর্তা জানান, গত বছর আশিকের নেতৃত্বে কয়েকজন এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে সবকিছু ছিনিয়ে নেয়। এই মামলায় তিনি জেলে ছিলেন। প্রায় ৪ মাস আগে জেল থেকে বের হওয়ার পর তাকে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে দেখা যায়। আশিক এলাকায় মাদক ও যৌনকর্মী সরবরাহের কাজ করে। জয়া তার অন্যতম সহযোগী।

তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

র‍্যাব-১৫-এর কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, জিয়া গেস্ট ইন হোটেলের ম্যানেজার ছোটনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তিনি ঘটনার পর পলাতক ছিলেন। এই হোটেল থেকেই ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে একজন অস্ট্রেলীয় নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে একটি রিসোর্টের দুইজন কর্মচারী। আর ২০০৫ সালে বিদেশি এক নারীকে ধর্ষণ করা হয়।