• আজ বুধবার, ১২ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

লঞ্চে আগুন: ঢাকায় আনা একজন মারা গেছেন

lounce n23
❏ শনিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আরও ৯ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে আনা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ১১টায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মাত্র ৪৫ মিনিটের মাথায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. হাবিব খান (৪৫) নামের একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে।

হাবিব খানের সঙ্গে ভর্তি হওয়া অন্য আটজন হলেন- লামিয়া (১৩), মমতাজ (৭০), মো. রাসেল (৩৮), বঙ্কিম মজুমদার (৬০), মনিকা রানী (৪০), গোলাম রাব্বী (২০), বিকাশ মজুমদার (১৬) ও খাদিজা (২৭)।

এর আগে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে মারুফা (৩৮) ও সেলিম রেজা (৪৫) নামের দগ্ধ দুইজনকে লঞ্চ থেকে উদ্ধার করে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনে র‍্যাব। তাদের ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। তার আগে, আরও পাঁচজনকে এই হাসপাতালে আনা হয়েছে।

এ তথ্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এসএম আইউব হোসেন। তিনি বলেন, হাবিব খানের বাড়ি বরগুনা সদরের তেতুলবাড়ীয়া গ্রামে। তার বাবার নাম বেলায়েত হোসেন।

নিহতের স্ত্রী সায়রা খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামী বরগুনা ছেলের বাসায় বেড়াতে যাচ্ছিল, ঝালকাঠি লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আমার স্বামীকে বাঁচাতে পারলাম না।’

হাবিব খান পেশায় মুদি ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক শুক্রবার রাতে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে এক ব্রিফিংয়ে ঝালকাঠিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩৮ জন মারা যাওয়ার তথ্য জানান।

ঝালকাঠির পোনাবালিয়া ইউনিয়নের দেউরী এলাকায় সুগন্ধা নদীতে বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এতে এখন পর্যন্ত ৩৯ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে, নিখোঁজ অর্ধশতাধিক। আর আহত অনেককে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে কতজন যাত্রী ছিল তার সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। বিআইডব্লিউটিএ থেকে জানানো হয়েছে, লঞ্চটিতে প্রায় ৪০০ যাত্রী ছিল। তবে লঞ্চ থেকে প্রাণে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের অনেকে বলছেন, এই লঞ্চে যাত্রী ছিল সাত শ থেকে আট শ।