• আজ সোমবার, ৩ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

আ.লীগ নেতা জহিরুল হক হত্যা: ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

atok n23
❏ রবিবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জগৎ বাজারের ব্যবসায়ী ও নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ শাখার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক হত্যা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া, মামলার আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— বসু মিয়া, কবির মিয়া, মোখলেছ, সাচ্চু মিয়া, জাহাঙ্গীর মিয়া, শহিবুর রহমান শুক্কি, লিয়াকত আলী, ইউনুছ মিয়া, রহমত উল্লাহ ওরফে ফারিয়াজ মিয়া, শিথিল আহম্মেদ ওরফে ফাহিম আহম্মেদ, সাইফুল, আলী মিয়া ও পাবেল। ফারিয়াজ মিয়া, ফাহিম আহম্মেদ, সাইফুল, আলী মিয়া ও পাবেল পলাতক রয়েছেন।

যাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন—নুরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, রাসেল, মাজু মিয়া, গোলাপ মিয়া, সোহেল মিয়া, শাহজাহান ও বোরহান ওরফে রোহান। তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক হামলার শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই কবির হোসেন বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত শেষে আদালতে ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এ মামলার ১৬ আসামি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন; বাকিরা পলাতক।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার দিন জহিরুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়া উত্তর পৌরতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে নিজ গ্রাম পয়াগের বাসায় ফিরছিলেন। ফেরার পথে আসামি বসু মিয়া, হাবিবুর রহমান, শহিবুর রহমান, কবির মিয়া, সাচ্চু মিয়া, মোখলেছ মিয়া, রুহান ওরফে বোরহান, শিথীল আহমেদ, রহমত উল্লাহসহ অন্যরা ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান নেন।

দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে আসামিরা জহিরুলকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি আটকে দেন। এ সময় জহিরুলকে আসামিরা কুপিয়ে জখম করেন। একই সঙ্গে সিএনজিচালক গোলাপ মিয়াকেও আঘাত করেন। রাতে জহিরুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহতের ছোট ভাই ছাব্বিহুল হক শিপলু জানান, ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মামলাটি দ্রুত বিচারের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে গেজেটভুক্ত হয়ে বিচারের জন্য ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া থেকে বদলি হয়ে ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।