• আজ সোমবার, ১০ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৪ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

খালেদাকে বিদেশ নিতে হলে নতুন করে আবেদন করতে হবে: আইনমন্ত্রী

anisul 2n34
❏ বুধবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ জাতীয়, ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে হলে নতুন করে আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) বার্ষিক সাধারণ সভায় এ কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইনে আছে শর্তযুক্ত, শর্তমুক্ত। খালেদা জিয়ার দরখাস্ত শর্তযুক্ত শর্তে নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। সরকারকে আইনের মধ্যে থেকে কাজ করতে হয়। অনেকে বলছেন, ওই দরখাস্ত পুনর্বিবেচনা করে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগের কথা। কিন্তু সেই দরখাস্ত নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। আমি বারবার বলে আসছি, একটা নিষ্পত্তি করা দরখাস্ত, আইন অনুসারে পুনর্বিবেচনা করার ক্ষমতা আমার নাই।’

তিনি বলেন, ‘পুনরায় যদি একটি দরখাস্ত করা হয় সেটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আমি এখানেও বলছি, সংসদেও বলেছি। শর্তযুক্ত শর্তে তিনি সাজা স্থগিতে যে মুক্তি পেয়েছেন সেটি যদি না মেনে পুনরায় জেলের যেতে চান সেটাও হতে পারে। কিন্তু এই অবস্থায় ফৌজদারি কার্যবিধির কোথাও নাই যে, তাকে আমরা আগের দরখাস্ত বিবেচনা করে বিদেশ যাবার সুবিধা করে দিতে পারি, সেটা নাই।’

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা টেনে যে বিভিন্ন কথা আসছে, তার ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা কারও বিদেশ যাওয়া বন্ধ করে না। কিন্তু আমি কখনো বলি নাই যে তাকে বিদেশে পাঠানো যাবে না। কিন্তু একবার নিষ্পত্তিকৃত দরখাস্ত আবার পুনর্বিবেচনা সুযোগ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় নেই।’

যে মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সাজা হয়েছে সেটি আওয়ামী লীগের করা মামলা নয় বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মামলা হয়েছে। ২০১২ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন সে মামলার প্রতিবেদন দেয়। মামলাটির বিচার কার্যক্রম চলাকালীন তারা অন্তত দশবার হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে আবেদন করেছে মামলা স্থগিতের জন্য।’

‘অনেক বিচারকের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেছেন’ জানিয়ে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সব কিছুর পর রায় হয়েছে। একটি মামলায় বিচারিক আদালতে সাজা ৫ বছর, হাইকোর্টে সেটি বেড়ে ১০ বছর হয়েছে। আরেকটা মামলায় পরে খালেদা জিয়ার ৭ বছর সাজা হয়েছে।’

বরং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকতা দেখিয়েছিলেন বলেও মন্তব্য করেন আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) যখন সাজা ভোগ করছিলেন তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দুটি বিশেষ শর্তে সাজা স্থগিত রেখে মুক্তি দেন।’