• আজ সোমবার, ৩ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

২০২২ সালে মহামারি নিয়ন্ত্রণে আসবে, প্রত্যাশা ডব্লিউএইচও’র


❏ শনিবার, জানুয়ারী ১, ২০২২ আন্তর্জাতিক, ফিচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- নতুন বছরে করোনা মহামারি জয়ের আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস। চীনে রহস্যজনক এক ধরনের নিউমোনিয়া শনাক্ত হওয়ার কথা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রথম অবগত হওয়ার দুই বছর পর এ মন্তব্য করেছেন তিনি।

বছরের শেষ দিন (শুক্রবার ৩১ ডিসেম্বর) ২০২১ সালের শেষ দিনে লিঙ্কডইনে নতুন বছরের আগমনী বার্তায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেছেন, দুই বছরে আমরা এখন এই ভাইরাসকে ভালোভাবে জেনেছি। মাস্ক ব্যবহার, ভিড় এড়ানো, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বায়ুপ্রবাহ ঠিক রাখা, করোনা পরীক্ষা করা এবং সংক্রমণের উৎস খোঁজার মাধ্যমে আমরা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি।

ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, আমরা এ রোগের চিকিৎসা করতে পারছি, গুরুতর অসুস্থ ও আক্রান্তদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও বেড়েছে। এসব শিক্ষা এবং সামর্থ্য দিয়ে মহামারির অবসান ঘটানোর সুযোগ আমাদের হাতে আছে।

তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে যত দীর্ঘ সময় ধরে বৈষম্য অব্যাহতভাবে ধরে রাখবে, মহামারি তত বেশি সময় থাকবে।

ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক জানান, মহামারিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে অবশ্যই দেশগুলোকে ‘সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ’ ও টিকা মজুত করে রাখার প্রবণতা থেকে বেরোতে হবে। সংক্রমণ রোধে দেশগুলো যদি সত্যিই আন্তরিক হয় এবং টিকা বন্টনের ক্ষত্রে অসমতা দূর করা যায় তাহলে ২০২২ সালের মধ্যেই মহামারির অবসান ঘটানো সম্ভব।’

মহামারিকে বিদায় জানাতে সবার আগে বিশ্বজুড়ে টিকা বণ্টনে সমতা প্রয়োজন এমনটা জানিয়ে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক বলেন, এখন এই মহামারির সঙ্গে লড়াই করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক হাতিয়ার মানুষের কাছে রয়েছে। মহামারির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত আমাদের হাতে থাকা সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো টিকা। কিন্তু সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ ও টিকা মজুত করার প্রবণতার কারণে বিশ্বজুড়ে করোনা টিকা বণ্টনে অসমতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি দিনকে দিন বাড়ছে।’

‘টিকা বণ্টনের অসমতাই ওমিক্রনসহ নিত্যনতুন ভাইরাসের আগমনের পরিবেশ তৈরি করেছে এবং এই অসমতা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে মহামারি যে রূপ নেবে- তা আমাদের পক্ষে কল্পনা করাও কঠিন।’-বলেন আধানম গেব্রিয়েসুস।