• আজ শুক্রবার, ১৪ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ২৮ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

আজ থেকে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

বাণিজ্য মেলা
❏ শনিবার, জানুয়ারী ১, ২০২২ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- প্রতিবছরের শুরুতে বাণিজ্য মেলার অপেক্ষায় থাকে রাজধানীবাসী। আগারগাঁওয়ে বসা মাসব্যাপী এ মেলা রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কেনাকাটা ও বিনোদনের কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। করোনা মহামারির কারণে গত বছর মেলা করা যায়নি। দুই বছর পর আজ শনিবার শুরু হচ্ছে ২৬তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। তবে নতুন স্থানে, নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের পূর্বাচলে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করবেন।

মেলা উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) সংবাদ সম্মেলন করে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। এতে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, নতুন স্থানেও বাণিজ্য মেলা জমবে। কারণ, এটি ঢাকারই সম্প্রসারিত এলাকা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে উৎপাদিত পণ্যের প্রচার ও প্রসারে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রপ্তানি বাড়ানোর অন্যতম কৌশল হচ্ছে পণ্য উন্নয়ন ও তার বাজার সৃষ্টি করা। আর এর প্রধান কৌশল হলো বাণিজ্য মেলা।

তিনি বলেন, পূর্বাচলে স্থায়ী ভেন্যুতে এক মাস বাণিজ্য মেলা হবে। বাকি ১১ মাস ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো তাদের পণ্যের প্রচার-প্রসারে মেলার আয়োজন করতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাণিজ্যমেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল ও ১৫টি ফুড স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক্সিবিশন সেন্টারের ১৪ হাজার ৩৬৬ বর্গমিটার (প্রায় ১,৫৫,০০০ বর্গফুট) আয়তনের দুটি হলে সব স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। মেলা কমপ্লেক্সের বাইরে (সম্মুখ ও পেছনে) প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও ফুড স্টল নির্মাণ করা হয়েছে।

মাসব্যাপী মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে, চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তা রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০ টাকা, শিশুদের জন্য ২০ টাকা।

মেলায় প্রদর্শন করা হবে দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি।