🕓 সংবাদ শিরোনাম

লালমনিরহাটে নকল বিল ভাউচারে স্কুলের টাকা আত্মসাৎ * সাতক্ষীরায় দুধের পরিমাণ বাড়িয়ে বিক্রি, ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা * রবীন্দ্রকাছারি বাড়িই হবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্র: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী * বিএনপি বাড়াবাড়ি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী * ফরিদপুরে হাজিরা দিতে এসে আদালত প্রাঙ্গণে আসামীর মৃত্যু * ধান উৎপাদন বাড়াতে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার * লাখাইয়ে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন * ২৬ শর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি * ১০ টাকার টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী * রসিক নির্বাচনে বিএনপির পর এবার সরে দাঁড়াল জামায়াত *

  • আজ মঙ্গলবার, ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ ৷ ২৯ নভেম্বর, ২০২২ ৷

আজ নির্মল সেনের নবম মৃত্যুবার্ষিকী

news 744
❏ শনিবার, জানুয়ারি ৮, ২০২২ ঢাকা, দেশের খবর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি- বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিষ্ট , লেখক, বাম রাজনীতির পুরোধা, মুক্তিযোদ্ধা নির্মল সেনের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। ২০১৩ সালের ৮ জানুয়ারী তিনি রাজধানী ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে ৮৩ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন। তার অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় নির্মল সেন স্মৃতি সংসদ এক স্মরন সভার আয়োজন করেছে।

নির্মল সেন ১৯৩০ সালের ৩ আগষ্ট গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার দিঘীরপাড় গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সুরেন্দ্রনাথ সেন গুপ্ত । মাতার নাম লাবন্য প্রভা সেন গুপ্ত। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে নির্মল সেন পঞ্চম। নির্মল সেনের পিতা সুরেন্দ্র নাথ সেন গুপ্ত কোটালীপাড়ার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীট কোটালীপাড়া ইউনিয়ন ইনষ্টিটিউশনের গনিত শিক্ষক ছিলেন। এর আগে সুরেন্দ্র নাথ সেন গুপ্ত ঢাকার ইষ্ট বেঙ্গল ইনষ্টিটিউটে শিক্ষকতা করতেন।

দেশ বিভক্তির পরে নির্মল সেনের পিতা মাতা অন্য ভাই বোনদের সঙ্গে নিয়ে কলকাতা চলে যান। জন্মভূমির প্রতি অকুন্ঠ ভালবাসার কারনে তিনি এদেশে থেকে যান। নির্মল সেন বড় হযেছেন ঝালকাঠি জেলায় তার পিসির বাড়ীতে। তিনি ঝালকাঠি জেলার কলসকাঠি বিএম একাডেমি থেকে ১৯৪৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে ম্যাট্রিক পাস করেন। পিসির বাড়ীতে যাওয়ার আগে নির্মল সেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার জিটি স্কুলে ৪র্থ শ্রেণিতে এক বছর লেখা পড়া করেন। তিনি বরিশাল বিএম কলেজ থেকে আইএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এ ও মাষ্টার্স পাস করেন।

ষ্কুল জীবন থেকে নির্মল সেনের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ”ভারত ছাড়ো” আন্দোলনের মাধ্যমে। কলেজ জীবনে তিনি অনুশীলন সমিতির সক্রিয় সদস্য ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি আরএসপিতে যোগ দেন। দীর্ঘদিন তিনি শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রাজনীতি করতে গিয়ে নির্মল সেনকে জীবনের অনেকটা সময় জেলে কাটাতে হয়েছে।

১৯৫৯ সালে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার মধ্যে দিয়ে নির্মল সেন তার সাংবাদিক জীবন শুরু করেন। তারপর দৈনিক আজাদ, দৈনিক পাকিস্তান, দৈনিক বাংলা পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিষয়ে অতিথি শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করেন।

লেখক হিসেবেও নির্মল সেনের যথেষ্ট সুনাম রযেছে। তার লেখা পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ, মানুষ সমাজ রাষ্ট্র, বার্লিন থেকে মষ্কো, মা জন্মভূমি, স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই , আমার জীবনে ৭১এর যুদ্ধ, আমার জবানবন্ধি উল্লেখযোগ্য।