• আজ মঙ্গলবার, ৪ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

কিসের সংলাপ, কোনো লাভ হবে না : মির্জা ফখরুল

fokrul n 3
❏ শনিবার, জানুয়ারী ৮, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের সংলাপকে ‘অর্থহীন’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এতে গিয়ে কোনো লাভ হবে না।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শনিবার এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম এ সমাবেশের আয়োজন করে।

আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আবারও বিভিন্ন রকম কলা-কৌশল শুরু করেছে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রপতি সংলাপ ডেকেছেন। কিসের সংলাপ? এই সংলাপ ইতোমধ্যে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বর্জন করেছে। পরিষ্কার করে বলেছে, এই সংলাপে কোনো লাভ হবে না। অর্থহীন সংলাপ। কারণ নির্বাচন কমিশনের কিছুই করার নাই, যদি নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ না হয়।

সরকারকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের খুব স্পষ্ট কথা- সবার আগে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। আর পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে তারপরে একটি নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করে জনগণের ভোটের ক্ষমতা ফিরিয়ে দিন। এটাই হচ্ছে একমাত্র পথ। এর বাইরে আর কোনো পথ নেই।’

রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে আসেন, আমরা সবাই ওই লক্ষ্যে- অর্থ্যাৎ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি- এই দুটিকে এক সাথে করে আজকে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। আমি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই যে, আসুন, গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং আমাদের সমস্ত অধিকারকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। আর সত্যিকার অর্থে জনগণের একটা সরকার, জনগণের একটা বাংলাদেশ নির্মাণ করি এবং কল্যাণময় একটা রাষ্ট্র আমরা নির্মাণ করি।’

খালেদা জিয়ার মুক্তি আজকে জনগণের দাবি মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি গণদাবি। এই দাবি অবশ্যই সরকারকে মেনে নিতে হবে। আর সরকার যদি এই দাবি মেনে না নেয় তাহলে সব সময়ই গণদাবি অস্বীকার করার জন্য অতীতের সরকারগুলোর যে অবস্থা হয়েছিল, তাদেরকেও একই পরিণাম বহন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। বেগম জিয়ার মুক্তির জন্য গত দেড় থেকে দুই মাস ধরে অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিকভাবে আমরা আন্দোলন করছি। সারাদেশে আমাদের অসংখ্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রত্যেক সমাবেশ থেকে, লাখো মানুষের কণ্ঠ থেকে একটি আওয়াজই এসেছে- দেশনেত্রীর মুক্তি চাই।’