আমাকে ১ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়: রুমিন ফারহানা

rumin
❏ শনিবার, জানুয়ারী ৮, ২০২২ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপির সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আজ শনিবার (০৮ জানুয়ারি) দুপুর ৩টার দিকে টেলিফোনে সংবাদমাধ্যমকে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সভা প্রথমে হওয়ার কথা ছিল ফুলবাড়ীয়াতে। সেটা বদলে এখন পৌর সভার বাইরে বটতলীতে হবে। পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করার পর আমাদের নতুন জায়গায় সমাবেশ করার জন্য নতুন করে অনুমতি নিতে হয়েছে।’

পথে আটকে রাখার বিষয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘আশুগঞ্জ ভৈরব ব্রিজের মুখে প্রায় আড়াইশ পুলিশ আমাকে প্রায় ১ ঘণ্টা রাস্তায় আটকে রাখে। তারা আমাকে ব্রিজে উঠতে দেবে না। সেখানে তাদের সঙ্গে আমার বাক-বিতণ্ডা, কথা কাটাকাটি হয়েছে। তাদেরকে বলেছি, আমাকে যেতে না দিলে আমি রাস্তায় বসে পরব। তারা বলেন, আপনি রাস্তা বন্ধ করতে পারবেন না। তখন আমি বলি, আপনি তাহলে আইন যা বলে তা করেন।’

সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট আমাকে আইনের কথা বলেছে। তাকে আমি বলেছি, পুরো পেনাল কোড আমার মুখস্ত। আমাকে আইন দেখিয়ে তো লাভ নেই।’

‘এক পর্যায়ে তারা আমাকে বলেন, ঠিক আছে, আপনি প্রেসের সঙ্গে মিট করলে উজান-ভাটি রেস্টুরেন্ট পর্যন্ত যেতে পারবেন। এর পরে আর যেতে পারবেন না। তারপর উজান-ভাটিতে গিয়ে বসি, নারী পুলিশসহ প্রায় দুই থেকে আড়াইশ পুলিশ আমাকে ঘিরে রাখে। পরে ৩টার দিকে আমরা রওনা দেই,’ যোগ করেন তিনি।

এদিকে রুমিন ফারহানা সমাবেশ স্থলে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে উপস্থিত হন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এর আগে ঢাকা থেকে ওই সমাবেশ স্থলে যাওয়ার সময় কিশোরগঞ্জের ভৈরবে তাকে ‘অবরুদ্ধ’ করে পুলিশ।

তবে বিএনপি নেতাদের অবরুদ্ধ করার বিষয়টি অস্বীকার করেন জেলার অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে আসা বিএনপির নেতাকর্মীদের পুলিশ কোথাও আটকে রাখেনি।

এদিকে, ১৪৪ ধারার আওতায় সকাল থেকেই সমাবেশস্থলসহ শহরের ৫২টি পয়েন্টে পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বন্ধ রয়েছে শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সভা, সমাবেশ ও গণজমায়েত। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা চলছে।