• আজ মঙ্গলবার, ৪ মাঘ, ১৪২৮ ৷ ১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ৷

সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে ঢাকা-রাঙামাটি, মধ্যম ঝুঁকিতে ছয় জেলা

map n2
❏ বুধবার, জানুয়ারী ১২, ২০২২ ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বিবেচনায় ঢাকা ও রাঙ্গামাটিকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বুধবার (১২ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ড্যাশবোর্ড ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশের মধ্যে থাকায় ঢাকাকে চিহ্নিত করা হয়েছে মধ্যম থেকে উচ্চ ঝুঁকির এলাকা হিসেবে। আর রাঙামাটি জেলাকে কম ঝুঁকি থেকে উচ্চ ঝুঁকির এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কম ঝুঁকি থেকে মধ্যম ঝুঁকির এলাকার মধ্যে রয়েছে পাঁচ থেকে ৯ শতাংশ সংক্রমণের হার থাকা রাজশাহী, রংপুর, লালমনিরহাট, যশোর ও দিনাজপুর জেলা।

সেইসাথে নাটোর জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে অপরিবর্তিত মধ্যম ঝুঁকির এলাকা হিসেবে।

আর সংক্রমণের গ্রিন জোন বা ক্ষীণ ঝুঁকিতে আছে ৫৪ জেলা। অন্যদিকে পঞ্চগড় ও বান্দরবান জেলায় নমুনা পরীক্ষার হার খুবই কম হয়েছে বলে জানায় অধিদপ্তর।

আগের সাত দিনের চেয়ে গত সাত দিনে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ১৬৯ দশমিক ১২ শতাংশ। তবে মৃত্যু হার কমেছে ২০ শতাংশ।

গত বছর করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন চিহ্নিত করে জোনভিত্তিক লকডাউন করার পরিকল্পনা করেছিল সরকার।

তাতে অনেক ভালো সফলতা আসলেও এবার লকডাউনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন করোনায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে আমাদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া। শুধু এলাকা ভিত্তিক নয়, কোনো লকডাউনের পক্ষে নয় আমরা। কারণ লকডাউন সেইভাবে মানা হয় না। শুধু শুধু জনজীবনে দুর্ভোগ তৈরি হয়।’

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘গত বছর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রেড জোন হবে, মাঝারিটা হবে ইয়েলো আর যেসব এলাকায় সংক্রমণ নেই বা ছড়িয়ে ছিটিয়ে সংক্রমণ হয়েছে সেসব এলাকা থাকবে গ্রিন জোনে।’

গ্রিন জোনকে নিরাপদ হিসেবে ধরে নেয়া হলেও সেসব এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম না করা, অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়ার মতো নিয়ম মেনে চলতে হবে মানুষকে এমন নির্দেশনাও দেয়া হয়।

তবে এবার এবিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছুই আলোচনা হয়নি বলে জানান এই বিশেষজ্ঞ।